মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

লোহিত রক্ত কনিকার হিমোগ্লোবিন ভেঙে সৃষ্টি হয়-

A. গ্লিসারল ও কোলিন
B. ভিটামিন E ও K
C. ইন্টারভেজ ও ইরেপসিন
D. বিলিভার্ডিন ও বিলিরুবিন 
Poster Download
RUUnit-FSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. বিলিভার্ডিন ও বিলিরুবিন 
Explanation:

Another Explanation (5):

লোহিত রক্ত কণিকা ও হিমোগ্লোবিনের ভাঙন: বিলিভার্ডিন ও বিলিরুবিন 🩸

লোহিত রক্ত কণিকা (Red Blood Cells/RBC) আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এর মূল কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন পরিবহন করে শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেওয়া এবং কার্বন ডাই অক্সাইডকে ফুসফুসে ফেরত নিয়ে আসা। লোহিত রক্ত কণিকার অভ্যন্তরে থাকা হিমোগ্লোবিন নামক একটি প্রোটিন এই অক্সিজেন পরিবহন করে। RBC-এর গড় আয়ু ১২০ দিন। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় RBC যখন ভেঙে যায়, তখন হিমোগ্লোবিন নামক প্রোটিনটি ভেঙে বিলিভার্ডিন ও বিলিরুবিন নামক দুটি রঞ্জক পদার্থে পরিণত হয়।

হিমোগ্লোবিন ভাঙনের ধাপ ♻️

  1. RBC-এর ভাঙন: পুরনো অথবা ক্ষতিগ্রস্ত লোহিত রক্ত কণিকাগুলো প্লীহা (spleen), যকৃত (liver) এবং অস্থি মজ্জাতে (bone marrow) ভেঙে যায়।
  2. হিমোগ্লোবিনের মুক্তি: RBC ভেঙে গেলে এর ভেতর থেকে হিমোগ্লোবিন নির্গত হয়।
  3. হিম ও গ্লোবিনের পৃথকীকরণ: হিমোগ্লোবিন ভেঙে দুটি অংশে বিভক্ত হয়: হিম (heme) এবং গ্লোবিন (globin)। গ্লোবিন অংশটি অ্যামিনো অ্যাসিডে ভেঙে যায় এবং পুনরায় ব্যবহৃত হয়।
  4. হিম থেকে বিলিভার্ডিন: হিম অক্সিজিনেজের (heme oxygenase) মাধ্যমে জারণ প্রক্রিয়ায় বিলিভার্ডিনে রূপান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় কার্বন মনোক্সাইড (CO) ও ফেরিক আয়ন (Fe3+) উৎপন্ন হয়।
  5. বিলিভার্ডিন থেকে বিলিরুবিন: বিলিভার্ডিন রিডাক্টেজ (biliverdin reductase) নামক এনজাইমের মাধ্যমে বিলিভার্ডিন বিলিরুবিনে রূপান্তরিত হয়।

বিলিভার্ডিন ও বিলিরুবিনের বৈশিষ্ট্য 🧪

বৈশিষ্ট্য বিলিভার্ডিন বিলিরুবিন
বর্ণ সবুজ 🟢 হলুদ-কমলা 🟠
উৎপত্তি হিমের জারণের মাধ্যমে বিলিভার্ডিনের বিজারণের মাধ্যমে
দ্রবণীয়তা জলে সামান্য দ্রবণীয় জলে প্রায় অদ্রবণীয়
পরবর্তী পরিণতি বিলিরুবিনে রূপান্তরিত হয় যকৃতের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত হয়ে শরীর থেকে নির্গত হয়

শারীরিক গুরুত্ব 🩺

  • বিলিভার্ডিন: শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।🛡️
  • বিলিরুবিন: বিলিরুবিনও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। তবে এর প্রধান কাজ হলো যকৃতে (liver) প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের (bile) মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া। শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস (jaundice) হতে পারে। ⚠️

অতিরিক্ত তথ্য 💡

জন্ডিস হলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়, কারণ রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়। নবজাতকের জন্ডিস একটি সাধারণ সমস্যা, যা সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এর জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

পরিশেষে, লোহিত রক্ত কণিকার ভাঙন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং বিলিভার্ডিন ও বিলিরুবিন এর গুরুত্বপূর্ণ উপজাত। এই প্রক্রিয়া শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। 👍

Option A Explanation: গ্লিসারল ও কোলিনের ব্যাখ্যা

গ্লিসারল ও কোলিনের ব্যাখ্যা

  • গ্লিসারল: গ্লিসারল একটি ট্রাইগ্লিসারাইড যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস। এটি সাধারণত লিভার, চর্বি টিস্যু এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পাওয়া যায়। গ্লিসারল শরীরে বিভিন্ন ধরণের ফ্যাটি অ্যাসিডের সাথে যুক্ত হয়ে ট্রাইগ্লিসারাইড তৈরি করে, যা পরে পেশী ও অন্যান্য টিস্যুতে শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • কোলিন: কোলিন একটি পুষ্টি উপাদান যা প্রোটিন তৈরিতে সহায়ক। এটি নিউরোট্রান্সমিটার এসিটাইলকোলিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ, যা স্মৃতি এবং মস্তিষ্কের কার্যক্রমে সহায়ক। কোলিন শরীরে লিভার, ব্রেন, পেশী এবং অন্যান্য টিস্যুতে পাওয়া যায়। এটি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিবহন ও মেটাবোলিজমে সহায়তা করে।
Option B Explanation:

ভিটামিন E ও K এর ব্যাখ্যা

  • ভিটামি?? E: এটি একটি জল-অবিচ্ছিন্ন ভিটামিন, যা প্রাথমিকভাবে শরীরের কোষের ঝিল্লি রক্ষা করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি রক্তের অণু ও কোষের সুরক্ষা প্রদান করে, এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় কিছু ভূমিকা রাখে।
  • ভিটামিন K: এটি একটি জল-অবিচ্ছিন্ন ভিটামিন, যা মূলত রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায?? গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের বিভিন্ন প্রোটিনের সংশ্লেষণে এই ভিটামিনের প্রয়োজন হয়, যা রক্তের ক্ষতি বা রক্তপাত প্রতিরোধে সহায়ক।
Option C Explanation: ইন্টারভেজ ও ইরেপসিন ব্যাখ্যা

ইন্টারভেজ ও ইরেপসিন এর ব্যাখ্যা

  • ইন্টারভেজ (Intervein): এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় না বা কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা জৈব রাসায়নিক পদার্থের নাম নয়। সম্ভবত এটি টাইপো বা ভুল শব্দ।
  • ইরেপসিন (Erythropoietin): এটি এক ধরনের হরমোন যা কিডনির দ্বারা উৎপন্ন হয়। এটি লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। ইরেপসিনের সাহায্যে রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, ফলে রক্তের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় অক্সিজেন পরিবহনের জন্য।
Option D Explanation:
  • বিলিভার্ডিন: এটি একটি হলুদ বা সবুজাভ রঙের যৌগ যা হেমোগ্লোবিনের ভাঙনের সময় তৈরি হয়। এটি মূলত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন লিভার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত হয়।
  • বিলিরুবিন: এটি বিলিভার্ডিন থেকে উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মধ্যে উপস্থিত থাকে। এটি আমাদের শরীরের রঙিন উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং অতিরিক্ত বিলিরুবিনের উপস্থিতি জন্ডিসের লক্ষণ সৃষ্টি করতে পারে।