"নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।"- ব্যাখ্যা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদির বাবা কী রোগে মারাগিয়েছিল?
- ‘প্রেম’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয়-
- নিচের কোনগুলো সমাসনিষ্পন্ন শব্দ?
- আহ্লাদিকে তার স্বামী যেভাবে নিয়ে যাবে বলে কৈলাশকেজানায়—
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষ???ড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চায়ের দোকান কোথায় অবস্থিত?
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের আবুলের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে চরিত্রেরসাদৃশ্য রয়েছে—
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- 'সে যেন অনুভব করে, সে-ই এখানকার কর্তা, সে-ই সর্বেসর্বা।'- উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে বক্তার-
- বুড়ো রহমান ছলছল দৃষ্টিতে আহ্লাদির দিকে তাকায় কেন?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-
- মাসির দাম্পত্য জীবনের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ঠিক?মাসির স্বামী ভালো ছিলমাসির স্বামী মদ্যপ ছিলমাসির শাশুড়ি-ননদ বাঘ ছিলনিচের কোনটি সঠিক?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে উল্লিখিত বাবুর নাম কী?
- সাম্যের গান গাই-আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।উদ্দীপকের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্য দেখাও।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদীর মুখে কে দেখতে পায় নিজ মেয়ের মুখের ছাপ?
- নিচের কোন রচনায় কলেরা মহামারির প্রসঙ্গ আছে?
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।"উদ্দীপকের আমেনা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির স্বামীর ঘর ছাড়ার কারণ এক নয়।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।