‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
A. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
B. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
C. চন্দ্রকুমার দে
D. দীনেশচন্দ্র সেন
সঠিক উত্তরঃ
C.
চন্দ্রকুমার দে
Explanation: বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা প্রচলিত রয়েছে। যথা : নাথ গীতিকা, মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা। ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তার সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালা : মইষাল বন্ধু, ভেলুয়া, কমলারানী, দেওয়ান ঈসা খাঁ, আয়না বিবি, শিলাদেবী, বণ্ডুলার বারমাসী, ভারাইয়া রাজা। এসব পালা দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামে ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অমরকীর্তি হলো বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্হ ‘চর্যাপদ’ উদ্ধার। শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য গ্রন্হ : ঠাকুর মা’র ঝুলি, ঠাকুর দাদার ঝুলি।
Related Questions (Any University/Year)
- 'নিদাঘ' শব্দের অর্থ কী?
- জেলা শহরের সরকারি হাসপাতালে দক্ষ চিকিৎসক ডাক্তার হুমায়ুন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে রোগীদের তিনি পরম যত্নে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একদিন যমুনা নামে এক অসহায় বৃদ্ধা টাকার অভাবে হাসপাতারের টিকেট না কেটে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে পড়লে ডাক্তারের সহকারী দুর্ব্যবহার করে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিতে চায়। ডাক্তার হুমায়ুন যমুনাকে ডেকে তার কথা শোনন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে সহকারীকে ডেকে বলেছেন, "অসহায় মানুষের সেবা করা মানবতার কাজ। সকল মানুষ আমার কাছে সমান।"উদ্দীপকের ডাক্তারের সহকারীর 'দুর্ব্যবহার'-এর সঙ্গে 'সাম্যবাদী' কবিতার 'দোকানে কেন এ দরকষাকষি' চরণের ভাবগত সাদৃশ্য দেখাও।
- "একাত্তরের যীশু' গল্পটির রচয়িতা কে?
- বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে -
- আইন বিষয়ক গ্রন্থ প্রণেতা কোনজন?
- 'বিড়াল' রচনায় বিড়ালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবেনিচের কোনটি প্রযোজ্য?
- “সম্মানের চিরনির্বাসন'' কথাটির গভীরে কোন বিষয় নিহিত?
- ‘বৈতালিক’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
- তোমার যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পরেরয়ে যাব; দেখিব কাঁঠাল পাতা; ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;দেখিব খয়েরি ডানা শালিকের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে ধবলরোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে নেচেচলে......... উদ্দীপকের ১ম চরণের সাথে নিচের কোন পঙক্তিটিরভাবার্থের অধিকতর সাদৃশ্য রয়েছে?
- আবির হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি সবসময় সৎ, শুভ ও সুন্দরের পথে চলার উপদেশ দিতেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর ঊর্ধ্বে আমরা যে সবাই মানুষ, সেই মানুষের কথা বলতেন, মনুষ্যত্বের কথা বলতেন। তিনি আরও বলতেন, আমি একজন মুসলমান হয়ে শুধু মুসলমান শিক্ষার্থীকে পড়াতে আসিনি। আমি এসেছি সবার শিক্ষক, অর্থাৎ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে।উদ্দীপকে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম-
- 'কাদম্বিনী' অর্থ-
- 'পুলিশ এসেছে আবার। সে ফিসফিস করে বলে'- কে ফিসফিস করে বলে?
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর স্থাপিত হয়েছিল কোথায়?
- জাতীয় জাদুঘর কোন পরিচয় বহন করে?
- "তোমাতে রয়েছে সকল কিতাব, সকল কালের জ্ঞান'- চরণটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- "সেখানে কালো আর ফিকে সবুজ রং খেলা কর ছ মুহূর্তে মূহুর্তে। "ৰ-- বাক্যটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- জলের দেবী কে?
- "রূপ্সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়’ কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?
- গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।— উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতারসংগতিপূর্ণ চরণ—তোমার হৃদয় বিশ্ব-দেউল সকলের দেবতারযেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চানএই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাইনিচের কোনটি সঠিক?