কোন দুটি রচনা একই শ্রেণির?
A. গীতাঞ্জলী ও অগ্নিবীণা
B. ডাকঘর ও অগ্নিবীণা
C. নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু
D. লালসালু ও বলাকা
সঠিক উত্তরঃ
A.
গীতাঞ্জলী ও অগ্নিবীণা
Explanation: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘গীতাঞ্জলি’ এবং কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘অগ্নিবীণা’ উভয়ই কাব্যগ্রন্হ। ‘নীলদর্পণ’ নাটক ও ‘বিষাদসিন্ধু’ উপন্যাসের লেখক যথাক্রমে : দীনবন্ধু মিত্র ও মীর মশাররফ হোসেন। ‘লালসালু’ উপন্যাস ও ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্হের রচয়িতা যথাক্রমে : সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘ডাকঘর’ রবীন্দ্রনাথের নাটক ও ‘অগ্নিবীনা’ কাজী নজরুলের কাব্যগ্রন্হ।
Related Questions (Any University/Year)
- কবি 'সোনার ধান'- প্রতীকে মানুষের সৃষ্টকর্মকে নির্দেশ করেছেন কারণ-
- ওরে মোর মূঢ় মেয়েকে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়েকহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরেকাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথেবসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহশুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবন দর্শনের পরিচয় কতটুকু প্রকাশ পেয়েছে? আলোচনা করো।
- শিকক্ষ: বাংলাদেশের একটি নান্দনিক স্থাপত্যকর্মেরনাম বলো ।শিক্ষার্থীগণ; বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।শিক্ষক: সংসদ ভবনের স্থপতি কে?শিক্ষার্থীগণ: জানি না স্যার।শিক্ষক: লুই আই কান। দেখো, তোমরা সৃষ্টিকে চেনো,স্রষ্টাকে নয় । উদ্দীপকের লুই আই কান “সোনার তরী" কবিতারকীসের সাথে তুল্য?
- সোনার ধান কীসের প্রতীক?
- শিকক্ষ: বাংলাদেশের একটি নান্দনিক স্থাপত্যকর্মেরনাম বলো ।শিক্ষার্থীগণ; বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।শিক্ষক: সংসদ ভবনের স্থপতি কে?শিক্ষার্থীগণ: জানি না স্যার।শিক্ষক: লুই আই কান। দেখো, তোমরা সৃষ্টিকে চেনো,স্রষ্টাকে নয় ।উদ্দীপকের মর্মার্থ নিচের কোন চরণে প্রকাশ পেয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- "সােনার তরী” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসী-মাখা।' এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে -
- "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোটো সে তরী"____ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমি উপড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'কথা ও কাহিনী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কী জাতীয় রচনা?
- শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ অবলম্বনে অঙ্কন করেন উপরের চিত্রটিসহ অসংখ্য চিত্র যেগুলো 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' নামে দেশ-বিদেশে সাড়া জাগায় এবং তাঁকে অমর করে তোলে।'মানুষ বাঁচে তাঁর কর্মে, বয়সে নয়।'- উদ্দীপকের-চিত্র ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "সােনার তরী" কবিতায় 'বাঁকা জল' বলতে প্রতীকী অর্থে কী বােঝানাে হয়েছে?
- তুমুল তুঙ্গে তীর-তিরন্দাজ ছুটবে বিজয় রথে সত্য-সপথ সমুন্নত ন্যায়-সংগ্রাম শান্তি পথেশোষণ স্তব্ধ হবে, বিজয় বলয় ছড়িয়ে যাবেদিকে দিকে মুক্তি এলেই প্রভাত ফেরি পাবে।জয় জনতার লাল পতাকার, বিজয় রক্ত পথে শান্তি-সাম্য-মুক্তি আসে জাতীয় ঐক্য ব্রতে।''এক্যবদ্ধ জাতীয় চেতনাই যেকোনো জাতির মুক্তি ও সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত।'- 'বিদ্রোহী' কবিতার এ ভাব উদ্দীপকে প্রতিফলিত হলে তা প্রমাণ করো।
- 'ব্যক্তিজীবন কদরহীন' - এ উপলব্ধির ইঙ্গিত 'সোনার তরী' কবিতার কোন চরণে রয়েছে?