'প্রমাণ হইয়া গেছে, আমি কেহই নই।'- ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' একটি-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'"উদ্দীপকের রায় বাহাদুর আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামা একই মানসিকতা লালন করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পে 'অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোটো ভাই' বাক্যাংশ ব্যবহৃত হয়েছে -
- একজন মানুষ তখনই চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে যখন সে অনর্থক কথা ও অপকর্মকে পরিত্যাগ করতে পারে। [এডিসন]নিজের সন্তানের ভালোমন্দ সম্বন্ধে যে পিতা সচেতন সে-ই যথার্থ পিতা। [টেগনার]অর্থের বিনিময়ে যারা একটি নারীকে বিবাহ করিতে সম্মত হয় সেই পুরুষ কোনোদিন তার স্ত্রীকে ভালোবাসিবে না- পাত্রীর অভিভাবকদের এ কথাটা বোঝা উচিত। [শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।"উদ্দীপকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় উক্তিটির মধ্য দিয়ে যেন 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের দৃঢ় ব্যক্তিত্ব প্রকাশিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কয়লাখনির জওয়ান শ্রমিক রবিউল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করে। এই অপরাধে তার চাকরি চলে যায়। নিদারুণ অভাবে পড়লেও সে হাল ছাড়ে না। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে শ্রমিকদের নিয়ে সে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।উদ্দীপকের শেষ লাইনের সাথে নিচের কোন লাইনটির ভাবগত মিল আছে?
- পলাশির যুদ্ধ ফরাসিরা কেন নবাবের পক্ষ অবলম্বন করে?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী শ্রীযুক্তা। পড়ালেখা শেষ করতেই ২৭. বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। শ্রীযুক্তা আইন ও সালিশ কেন্দ্রে সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে। হঠাৎ একদিন শ্রীযুক্তার কাকা বিয়ের সম্বন্ধের কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে কাকাকে বললেন, 'নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'উদ্দীপকের শ্রীযুক্তার সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া'এটি কার গানের পংক্তি?
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।উদ্দীপকের চাচার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি তুলনীয়?-আলোচনা কর।
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।
- অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পিতার শ্যামলা মেয়ে খাদিজা বহু কষ্টে বড় হয়েছে। বিয়েতে বাবা বড় আয়োজন করতে পারেনি। পরবর্তীতে সে নিজ চেষ্টায় অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করলেও গায়ের রং ও বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে এখনও শ্বশুরবাড়িতে কথা প্রসঙ্গে নানা কটু কথার সম্মুখীন হতে হয়।উদ্দীপকটিতে 'অপরিচিতা' গল্পের মূল বক্তব্য কতটা প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্লেষণ কর।
- পলাশির যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'"এই তো বেশ আছি!'-গৌরীর এই উক্তিতে 'অপরিচিতা' গল্পের পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা। উল্লিখিত সাদৃশ্য বিবেচনার ভিত্তি হলো - নারী ব্যক্তিত্বের উন্মেষনারীর আত্মোপলব্ধি ও আত্মপ্রতিষ্ঠানারীর প্রতি পুরুষশাসিত সমাজের বৈষম্যনিচের কোনটি সঠিক?
- রবীন্দ্রনাথ কোন আঙ্গিকে সাহিত্য রচনা করেননি?
- হরিশ কোন গল্পের চরিত্র?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- নিবেদিতা তার স্বামী প্লাবনসহ বইয়ের দোকানে এসে অবাক হলেন। ফোনে নিবেদিতা বই বিক্রেতাকে বইয়ের নাম, সংখ্যা, প্রকাশনী, কমিশন এবং সরবরাহের তারিখ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত সব বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দোকানদার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বই সরবরাহের ন্যূনতম প্রস্তুতিও নেননি। একপর্যায়ে দোকানদার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলে নিবেদিতা মোবাইল থেকে প্রমাণ উপস্থাপন করলেন। প্লাবনের অনুরোধে নিবেদিতা দোকানদারের সাথে আর তর্কে জড়ালেন না। উদ্দীপকের প্লাবন ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মধ্যে সাযুজ্য নির্ণয় করো।