'রেইনকোট' গল্পে কে এপ্রিলের শুরু থেকে বাংলা বলা
ছেড়েছে?
A.
আব্দুস সাত্তার
B.
আকবর সাজিদ
C.
আফাজ আহমদ
D.
ইসহাক মিয়া
সঠিক উত্তরঃ
D.
ইসহাক মিয়া
Explanation:
পাকিস্তানি মিলিটারির ভয়ে কলেজের পিয়ন ইসহাক তার এক আত্মীয়ের অজুহাতে বাংলা ছেড়ে দিনরাত উর্দু বলে।
Related Questions (Any University/Year)
- 'আকাশ ও পথিবী' -এর এক কথায় প্রকাশ কি হবে?
- দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি,মেকি— তা দূর করতে কী প্রয়োজন?
- পাকিস্তান বাঁচাতে হলে স্কুল কলেজ থেকে শহিদমিনার হটাতে হবে— এ নিবেদনটি করেছে—
- 'রেইনকোট' গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী?
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প উভয়ক্ষেত্রেই গেরিলাযুদ্ধের গৌরবগাঁথা বর্ণিত হয়েছে।"- যথার্থতা যাচাই করো।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।সাজ্জাদের চেতনা 'রেইনকোট' গল্পের মূলভাবকে কতখানি ধারণ করে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- 'দুধভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের লেখক এর নাম কি?
- , রেইনকোট" গল্পটি কার রচনা?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে।কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতেযত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে। – মোহিনী চৌধুরী।উদ্দীপকে উল্লিখিত "তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে" পঙক্তিটি 'রেইনকোট' গল্পের সমাপ্তিচিত্রের ইঙ্গিত বহনকারী। কীভাবে? আলোচনা কর।
- কবির দৃষ্টিতে আমাদের চেতনার রং কী?
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।"উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের একটি বিশেষ দিক প্রকাশিত হয়েছে।"- মূল্যায়ন করো।
- 'দূরে কিংবা কখনো খুবই কাছেযাচ্ছে শোনা ফুটফাট গুলির আওয়াজ, ত্রাসেবুক কাঁপে, পারি না শুধোতে কে কোথায় গেল মরে,দম বন্ধ করে চুপ করে পড়ে থাকি ঘরের কবরে।'উদ্দীপকের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের যে প্রসঙ্গটিমিলে যায়—মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীননির্যাতিত বাঙালিমুক্তিযুদ্ধের মানুষের আত্মত্যাগনিচের কোনটি সঠিক?
- খনারবচন কি সংক্রান্ত?
- "টুপির তেজ কি পানিতেও লাগল নাকি?"- বিশ্লেষণ করো।
- কালরাত ঢাকা ছিল প্রেতের নগরীসবাই ফিরেছে ঘরে সাত তাড়াতাড়ি। চতুর্দিকেনিস্তব্ধতা ওঁৎ পেতে থাকে,ছায়ার ভিতরে ছায়া, আতঙ্ক একটিকৃষ্ণাজা চাদরে মুড়ে দিয়েছে শহরটিকে আপাদমস্তকউদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- চিত্রিত দিকটি 'রেইনকোট' গল্পের বিষয়বস্তুকে আরও শানিত করেছে বলে তুমি মনে করো কি? সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল -------'। শূন্যস্থানে কী হবে?
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
- 'রেইনকোট' গল্পের পিয়নের নাম কী?
- "বারান্দাওয়ালা টুপির নিচে শব্দের ঘষায় ঘষায় আগুন জ্বলে"- উদ্বৃত চরণটি যে রচনার অন্তর্গত—