"তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
সখিনা বিবির কপাল ভাঙল সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর
শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো
দানবের মতো চিৎকার করতে করতে
ছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকায়েললেস রাইফেল
আর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্র
তুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।"
উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প কোন বিশেষ সময়ের ভয়াবহতার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছে থেকে অনেক কিছুপ্রত্যাশা করে”— উক্তিটি দ্বারা 'বায়ান্নর দিনগুলো”রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘স্বর্ণময় পত্র' কোন ধরনের বিশেষণ?
- চে গুয়েভারা বলিভিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী নেতা। অসাধারণ দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও সফলতা অর্জন করেন।উদ্দীপকের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে-
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- কোনটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী-
- আমার বিশ্ব ভ্রমণ কেবলি তোমার কাছে যাওয়াসকল নিসর্গ ছুঁয়ে তোমাকে খুঁজে পাওয়া।পৃথিবীর শেষপ্রান্তে গিয়ে দেখেছি তোমার মুখআরম্ভ বিন্দুতে দাঁড়ানো আমি সেই বিস্মিত, উজবুক।উদ্দীপকের বিশ্ব ভ্রমণের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনকে কীভাবে তুমি তুলনা করবে?
- 'কারাগারে রোজনামচা' বইটির রচয়িতা কে?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনালোকে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অবদান রেখেছেন কে?
- বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- 'আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iউদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতেথাকে।'— এখানে কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- চেঙ্গিস খান ছিলেন-একজন মুসাফিরসামরিক নেতামোজাল জাতির অন্যতম যোদ্ধানিচের কোনটি সঠিক?
- "অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতেপারি, সে মরাতেও শান্তি আছে। " "বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার উক্তিটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের যে মনোভাবপ্রকাশিত হয়েছে—দেশপ্রেমভাষাপ্রীতিআত্মসমর্পণনিচের কোনটি সঠিক?
- "মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।"- ব্যাখ্যা কর।
- কর্মবাচ্যের উদাহরণ
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- “আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীই বোধ হয় আর বাইরেনাই।”— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের-
- ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বন্দি ছিলেন?