রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বছর বয়সে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?
A. 55
B. 52
C. 57
D. 61
সঠিক উত্তরঃ
B.
52
Explanation: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগষ্ট ১৯৪১) এর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ ‘গীতাঞ্জলি’। এই কাব্যগ্রন্হটি তিনি ১৯১২ সালে Song Offerings নামে অনুবাদ করেন। ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings-এর জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ছেলেবেলায় অনুপমের চেহারা নিয়ে বিদ্রুপ করার সময় পণ্ডিতমশায় কোন দুটি ফুল ও ফলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন?
- "কালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।" কার বংশের ঐতিহ্য বোঝাতে লেখক এ উক্তিটি ব্যবহার করেছেন
- ছোটবেলায় অনুপম পন্ডিতমশাইয়ের বিদ্রুপের পাত্র হয়েছিল কেন?
- কোন শব্দটি ইতিবাচক?
- কোনটি সামাজিক ব্যাধি?
- 'অপরিচিতা' গল্পের নায়কের চেহারা নিয়ে পণ্ডিতমশাই কিসের তুলনা করতেন?
- 'কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোন রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে আছে, সেই জন্যই তাড়া।'উদ্দীপকের ঘটনাচিত্র 'অপরিচিতা' গল্পের খন্ডাংশের প্রতিনিধিত্ব করে মাত্র- কথাটির যথার্থতা বিচার করো।
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের বাবা চরিত্রের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের তুলনা করো।
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু ব???ক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।"উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত তৎকালীন সামাজিক সমস্যার দিকটি তুলে ধরতে সমর্থ হয়েছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- পরাবলম্বন-ই প্রকৃত-
- 'বিস্তারিত করিয়া কিছু বলা আমার পক্ষে অসম্ভব'- কেন?
- মোতালেব সরকার তার বাড়ির একটা দামি শোপিস ভেঙে ফেলায় পরিচারিকা সুরমার মাসিক বেতন পুরোটা কেটে রেখেছে। সুরমা অনেক কান্নাকাটি এবং অনুনয় করেছে যেন বেতনের পুরোটা কেটে রাখা না হয়। কিন্তু মোতালেব সরকার তার সিদ্ধান্তে অটল।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'অপরিচিতা' গল্পের কোন মানসিকতার ধারক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতার কবির উপলব্ধি হচ্ছে-
- 'অপরিচিতা' গল্পে বিয়ের অনুষ্ঠানে কন্যার গহনা মাপারমধ্যদিয়ে মামার কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- মানাকে অনুপম তার ভাগ্য দেবতার এজেন্ট বলেছিল কেন?
- বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
- 'অপরিচিতা' গল্পে আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- ‘অপরিচিতা’ গল্পটি কার জবানীতে লেখা?
- কহিল সে কাছে সরে আসি' পরের পঙ্ক্তি কোনটি?
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের ভোগবাদী চিন্তার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কেন তা ব্যাখ্যা করো