রফিকুল ইসলাম একজন সাদা মনের মানুষ। শিক্ষকতা পেশায় থেকে গড়েছেন আলোকিত মানুষ। নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান "কালান্তর"। জনকল্যাণের পাশাপাশি তিনি এলাকার মাতব্বরদের ভণ্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও নতজানুতার বিরুদ্ধে তিনি সদা সোচ্চার। ফলে অনেকেরই শত্রুতে পরিণত হন তিনি। তবে তিনি দমে যান না, তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ পথ।'
'আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত নয়, তা আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "স্বল্পপ্রাণ,স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তি প্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।" কোন প্রবন্ধের অংশ?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের মোট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
- প্রবন্ধকার পরাবলম্বনকে সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলেছেন কেন?
- ও রকম বিনয়ের অহংকারের ....... অনেক ভালো। আমার পথ শীর্ষক রচনায় এই বাক্যে শূন্যস্থানে বসবে-
- 'আত্মকে চেনা, নিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভ' -সম্পর্কে কোনটি গ্রহণযোগ্য— এ দম্ভ শির উঁচু করে মতে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার' ভাব আনেঅসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রত করেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নিজের পরিচয় দিয়েছেনকী হিসেবে?
- অগ্নিবীণা-র রচয়িতা কে?
- সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব কোনটি?
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কত সালে ভারত থেকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আনা হয়?
- মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে বেশি ভালো হলো-
- কোনটি কাব্য নয়?
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধটির আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কোন বিশ্বনেতার কথা বলা হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প কোনটি?
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।