সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান,
সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।
দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,
নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো;
মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত সংকোচ ও সংকটের দুর্বলতাকে মুক্ত করার তাগিদের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার পথ' আমাকে কী দেখাবে?
- এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার দায়িত্ব নবনির্বাচিতকমিশনার কাইউম সাহেবের ওপর ন্যস্ত করে সবাই যখননিশ্চিত তখন কাইউম সাহেব এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যেবললেন, 'আপনাদেরও এ ক্ষেত্রে সজাগ থাকতে হবে।'উদ্দীপকের কাইউম সাহেবের উক্তিতে 'আমার পথ'প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয??েছে?
- কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনে আদর্শের পথকেই সুকন্যা তার পাথেয় করে নিয়েছে। অনেক সময় এজন্য তাকে অনেকের কটূক্তি, হুমকি- ধমকিও সহ্য করতে হয়। জীবনে চাওয়া- পাওয়ার হিস??ব সে অসত্য ও চাটুকারিতার মধ্য দিয়ে মেলাতে চায় না।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন কথাটি সাদৃশ্যপূর্ণ?আমার পথ দেখাবে আমার সত্যএটা অত্মাকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তিভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে আমার পথ আমাকে কী দেখাবে?
- ’বার্ধক্য তাহাই-যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকডিয়া পড়িয়া থাকে।’ উক্তটি কার?
- কোন কবিকে ছন্দের যাদুকর বলা হয়?
- কোনটি সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দী" নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের মতে, মানুষ নিষ্ক্রিয়হয়ে পড়ে কেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন কে?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস্আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যেলাইনটির ভাবগত সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়-
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'উদ্দীপকে বর্ণিত 'মিথ্যার সাথে করেন না আপস' উক্তিটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের মনের যে সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবের পরিচয় পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’-কোন প্রবন্ধের অংশ?
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।"উদ্দীপকের অমিত বাবু 'আমার পথ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের মানসপুত্র।"- উক্তিটির যথার্থ পরীক্ষা করো।
- তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করিবিচিত্র ছলনা-জালেহে ছলনাময়ী।সত্যেরে সে পায়।আপন আলোকে ধৌত অন্তরে অন্তরে।কিছুতে পারে না তারে প্রবঞ্চিতে,শেষ পুরষ্কার নিয়ে যায় সে যেআপন ভান্ডারে।"তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি-বিচিত্র ছলনা-জালে হে ছলনাময়ী।"- উদ্দীপকের এই লাইনটির মাধ্যমে বর্তমান সমাজব্যবস্থার বিশেষ দিকটি ইঙ্গিত করে 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।