"নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয়ে গোপনে"
উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
A.
দুঃখময় যন্ত্রণার প্রকাশ
B.
স্মৃতিকাতরতার মাধুর্যমণ্ডিত অভিব্যক্তি
C.
দুঃসহ বিষণ্ণতার হাহাকার
D.
সংলাপনির্ভরতা ও নাটকীয়তা
সঠিক উত্তরঃ
C.
দুঃসহ বিষণ্ণতার হাহাকার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সারাদেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা।'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয় কেন?
- জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তারমাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তরজুড়েঅকালে হারিয়ে যাওয়া আবির। উদ্দীপকের আবির 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়কীসের প্রতিনিধিত্ব করে?
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।কবিতার উক্ত দিকটির আলোকে বলা যায়- মানবমন প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিতপ্রকৃতি মানবমনে প্রভাব ফেলেপ্রকৃতি ছাড়া সাহিত্য সাধনা অসম্ভবনিচের কোনটি সঠিক?
- মাঘের সন্ন্যাসী কোথায় চলে গিয়েছে?
- হে কবি, নীরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়।চরণটিতে নীরব কেন বলতে কবির কোন মানসিকতাকে বোঝায়?
- কার রক্তে বাস্তবের বিশাল চত্বরে ফুল ফোটে?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'"আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলবক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বসন্ত কাকে স্মরণ করে এসেছে?
- নিচের কোনটিতে কবির অভিমান প্রকাশ পেয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিকদিয়ে-
- "চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন।দূর শাখে পিক ডাকে বিরাম বিহীন।অধীর সমীর- ভরে উচ্ছ্বসি বকুল ঝরে,গন্ধ সনে হল মন সুদূরে বিলীন।পুলকিত আম্রবীথি ফাল্গুনেরই তাপে,মধুকর গুঞ্জরণে ছায়াতল কাঁপে।কেন আজি অকারণে সারা বেলা আনমনেপরানে বাজায় বীণা কে গো উদাসীন।"উদ্দীপকের বসন্ত বর্ণনার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বসন্ত বর্ণনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'পুস্প শয্যা ভেদ তুলি বিচিত্র বসন" এর পরের লাইন..
- 'বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি'— এ মিনতি করে—
- ’কাঁটাতারে প্রজাপতি’ কে লিখেছেন-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- আজ তুমি নেই সাথে ভুলে থাকা ছলনাতেমনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।পাওয়া না পাওয়ার মাঝে অচেনার সুর বাজে,সুরভিত বিরহের মরম ব্যথা।"উদ্দীপকের কথকের হৃদয় বেদনা যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলসুর"- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গাঁথা- বিশ্লেষণ কর।
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।