আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'
"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।

- 'বিলাসী গল্পে ফুটে উঠেছে তৎকালীন হিন্দু সমাজের-
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম দৃশ্যের স্থান কোথায় ছিল?
- ব্রাহ্মণের শিক্ষিত ছেলে সমীর ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামেরজেলে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে নীলিমাকে। রাশভারী বাবাউপেন্দ্রনাথ তাতে রাজি না হয়ে সমীরকে সম্পত্তি থেকেবঞ্চিত করে। সমীর ও নীলিমা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখনসুখে আছে।উদ্দীপকের উপেন্দ্রনাথ চরিত্রের মধ্যে 'বিলাসী'গল্পের যে সামাজিক সমস্যাটি নিহিত তা হলো-
- মৃত্যুঞ্জয়ের বংশ পরিচয় কি?
- তিন্নি তথাকথিত নিম্নবর্ণের মেয়ে। সে কর্মনিপুণ,বুদ্ধিমতী এবং সেবাব্রতী। সে কারণে বিশু তাকেবিয়ে করেছে। কিন্তু নিম্নবর্ণের হওয়ায় বিশুর পরিবারতিন্নিকে মেনে নেয়নি। উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে—
- কার আত্মহত্যা অনেকের কাছে পরিহাসের বিষয় হয়ে দেখা দিল?
- সিকান্দার আবু জাফরের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটির প্রথম দৃশ্যের স্থান কোথায় ?
- ’সহমরণ’ প্রসঙ্গটি কোনরচনার অন্তর্গত?
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত যাদের বাড়ি পল্লিগ্রামে তাদের শতকরা কতভাগকে বিদ্যার্জনের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়?
- 'বিলাসী' গল্পে সাপ ধরার বায়না এলে বিলাসী কী করতেন?
- মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানের আয়তন ছিল কত?
- এডন কীসের জন্য বিখ্যাত?
- ন্যাড়ার সন্নাসীগিরি ইস্তফার কারণ কী?
- বরযাত্রীর দল দক্ষযজ্ঞের পালা সারিয়া বাহির হইয়া গেল।'- ব্যাখ্যা করো।
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকে যে সামাজিক প্রথা বর্ণিত হয়েছে তা 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।"উদ্দীপকটি যেন 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর অমর প্রেমের উপাখ্যান।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- মৃত্যঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- "বিষহরির দোহাই বুঝি বা আর খাটে না ।"---- এটি বোঝা গেল কখন?
- উপরের আদালতের হুকুমে' বোঝানো হয়েছে? বলতে কোনটিকে