নিঝুম আর অহনা পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোভাসে। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায়। কিন্তু নিঝুমের পরিবার সেটা মেনে ন???য় না। কারণ, নিঝুম শিক্ষিত এবং ধনী পরিবারের একমাত্র সন্তান। অপরদিকে, অহনার পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। নিঝুম পরিবারের সম্মতিতে অন্যত্র বিয়ে করে এবং একসময় অহনাকে ভুলে যায়। অহনার দিন কাটে কষ্টের সমুদ্রে। কারণ, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো মরে না।
উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম-কল্যাণীর জীবনের বিপরীত প্রতিচ্ছবি- মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছিন্নপত্র' কোথায় বসে লেখা?
- এককালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল- 'অপরিচিতা' গল্পের এ বাক্যে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট দ্বারা বোঝানো হয়েছে-ঐশ্বর্যের দেবীর ঐশ্বর্যের প্রতীক কল্যাণী দেবীর বংশ লক্ষ্মীর কৃপায় ঐশ্বর্যে পূর্ণ ছিললক্ষ্মীর মঙ্গলঘট স্থাপন করেননিচের কোনটি সঠিক?
- 'অপরিচিতা' গল্পের খাদযুক্ত গহনাটির নাম কী?
- যৌতুকের বিষয়টি মীমাংসা না হওয়ায় বিয়ে ভেঙেযাওয়ার উপক্রম হলে পলাশ তার বাবাকে ডেকেবললো, 'বিয়ে করতে এসেছি, বউ নিয়েই বাড়ি যাবদেনা-পাওনার ধার আমি ধারি না।' উদ্দীপকে বর্ণিত কোন কোন বিষয় অপরিচিতা'গল্পে অনুপস্থিত?প্রতিবাদব্যক্তিত্বঅবাধ্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।'- কথাটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?
- নূপুরের ধ্বনিকে এককথায় কী বলে?
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম কী?
- জটিল কিংবা যৌগিক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়-
- একদল শ্রমজীবী নারী-পুরুষ লঞ্চে করে গ্রামে যাচ্ছিল ঈদেরছুটিতে। বিত্তবান মোহিত সাহেব স্ত্রী-সন্তান এবং আত্মীয়-পরিজন নিয়ে লঞ্চে উঠলে লঞ্চকর্মীরা শ্রমজীবীদের সিটগুলোছেড়ে দিতে বলে। অনেকেই ছেড়ে দিলেও প্রতিবাদ জানিয়েনিজের সিটে দৃঢ়ভাবে বসে থাকে গৃহকর্মী হালিমা।উদ্দীপকের হালিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কাকেপ্রতিনিধিত্ব করে?
- 'এ জীবন না দৈর্ঘ্যের হিসেবে বড়ো না গুণের হিসেবে"- ব্যাখ্যা করো।
- কোনগুলো বর্গীয় বর্ণ নয়?
- ‘অপরিচিতা’ গল্পে কন্যাকে আশীর্বাদ করার জন্য যাকে পাঠানো হয়েছিল- সে সম্পর্কে নায়কের কী হয়?
- কোন কবি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?
- ‘চিরকুমার সভা’ নাটকটির লেখক কে?
- কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম-শতবার্ষিকী পালিত হয়?
- বিভার বাবা আলম সাহেব অল্প বেতনে চাকরি করলেও মেয়েকে তিনি শিক্ষিত করেছেন। বিয়ের কথা পাকা হওয়ার দিন পাত্রপক্ষ বিপুল অঙ্কের যৌতুক দাবি করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। সেইসাথে অবাক হন পাত্র কৌশিকের মৌনরূপ দেখে। বিভা তাই তার বাবাকে জানিয়ে দেয়, যে ছেলে মেয়ের বাবার কাছে হাত পেতে অর্থ নেয়, সে ছেলের কাছে আমি কখনোই সম্মান পাব না।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছিল না...........।উদ্দীপকের শিক্ষিকার মধ্যে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চারিত্রিক প্রবণতাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।দৃঢ়তার অভাবে রফিক নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে চাচার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে এ সিদ্ধান্তের সাথে তুমি কি একমত?