'ইন্দ্রজাল' শব্দের সমার্থক শব্দ- জোড় কোনটি?
A. ইন্দ্রিয়, জাদু
B. কুহক, মায়া
C. জাদু, দ্যুতি
D. ভেলকি, ক্ষোভ
সঠিক উত্তরঃ
B.
কুহক, মায়া
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি-আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুল মাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে কন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, 'মুক্তি কিধার হায় বোলো।' এক উত্তর, ওরা জানে না।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।"-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মিন্টু কত তারিখে মগবাজারের বাসা থেকে চলে গেল?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্র কোনটি?
- 'নুরুল হুদার চোখের চাউনি ভোঁতা কিন্তু গরম।"- এ কথার মানে কী?
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন মনোভাবটি প্রকাশ পেয়েছে?
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
- "রেইনকোট " গল্পের প্রেক্ষাপট কী?
- রেইনকোট গল্পে রেইনকোটটি কীসের প্রতীক?
- ডক্টর আফাজ আহমদ ‘পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা' বলতে বুঝিয়েছেন -
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।উদ্দীপকে বর্ণিত সুদীপ্ত শাহীন 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে? বিচার করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের 'অন্তত তিন দিন ফুটফাট বন্ধ'- বাক্যটিতে 'ফুটফাট' শব্দটি নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।সাজ্জাদের চেতনা 'রেইনকোট' গল্পের মূলভাবকে কতখানি ধারণ করে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাহাত ভাবল, দেশের এই সংকটময়মুহূর্তে আমি নিশ্চিন্তে ঘরে বসে থাকতে পারি না। তাইএলাকার ১০ জন যুবকের সঙ্গে পরামর্শ করে পাড়িজমায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ।অনুচ্ছেদের রাহাত চরিত্রের ভাবনা 'রেইনকোট' গল্পেকার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়?
- 'আকাশ ও পথিবী' -এর এক কথায় প্রকাশ কি হবে?
- কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। । নদীর এপারে-ওপারে বেশ কিছু বড়ো বড়ো কল-কারখানা। এগুলো শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজারসংলগ্ন হাই স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।উদ্দীপকটির শেষাংশের বক্তব্য 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'ক্লাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝায়?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- চাতাল' শব্দটি দিয়ে বুঝানো হয়েছে-
- 'বন্দুকের গুলি ছোড়া অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য' কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ-