‘তখন চাষা অন্নবস্ত্রের কাঙাল ছিল না। তখন কিন্তু
সে অসভ্য বর্বর ছিল' 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের এ
বক্তব্য দ্বারা বোঝায়—
A.
চাষাদের প্রতি মমত্ববোধ
B.
বর্বরতার প্রতি পক্ষপাত
C.
সভ্যতার অন্তঃসারশূন্যতা
D.
ঐতিহাসিক সচেতনতা
সঠিক উত্তরঃ
C.
সভ্যতার অন্তঃসারশূন্যতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মতলবপুর গ্রামে সুসজ্জিত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, সোনাফলা ফসলি জমি-সবই আছে কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা বা স্কুল-কলেজের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যে আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজন তা গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। ফসলি জমির ফসল ওঠে কয়েকটি ভূ-স্বামী পরিবারের গোলায়। তাই অর্ধাহারে, অশিক্ষায় আর চিকিৎসাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করে মতলবপুর গ্রামের আশি ভাগ মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে যে গ্রামকে আদর্শ মনে হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভেসে ওঠে সে গ্রামের বঞ্চিত গ্রামবাসীর অসহায় মুখচ্ছবি।"উদ্দীপকে 'বিড়াল' প্রবন্ধের আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- বাক্যটির তাৎপর্য লেখ।
- নিচের কোনটি মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম-মৃত্যু সাল?
- ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের লেখক কোন আন্দলনের কান্ডারী ছিলেন?
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়। বৈসাদৃশ্য থাকলেও উভয়ের যোগসূত্র কোনটি?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ‘কবর’ নাটকটির লেখক-
- ‘স্বরূপের সন্ধানে’ গ্রন্থের লেখক কে?
- নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
- আমার চেতনা যেন একটি ___ সত্যিকার পাখি । শূন্যস্থানে কী বসবে?
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।'পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি'- এ উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'জীবন -বন্দনা ' কবিতায় কবি প্রথমে কার বন্দনা করেছেন?
- ‘ডোন্ট কেয়ার ভাব আনে' ‘উদ্ধৃতাংশ দ্বারা বোঝানোহয়েছে—নজরুলের ভয়হীনতানিজের প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস সত্যে বলীয়ান হওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- সকল লোকের মাঝে বসেআমার নিজের মুদ্রাদোষেআমি একা হতেছি আলাদা?উদ্দীপকটি কোন বিবেচনায় 'লোক-লোকান্তর'কবিতাকে আত্মস্থ করেছে?
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক ' । কোন গল্প থেকে নেওয়া ?
- ‘সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই।' উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- ‘সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস’ কোন রচনার অন্তর্গত?
- গৌরী শংকর কে?
- পদ্মানদীর মাঝি ' উপন্যাসটির লেখক কে?
- ড. আনিসুজ্জামানের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় কোনঘাসের উল্লেখ পাওয়া যায়?