নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,
তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।
গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান
কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।
স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিত
বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।
শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরে
সাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।
উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- তপু ছিল________।
- 'কর্মে ও কথায় ---- আত্মীয়তা করেছে অর্জন।' এই পঙক্তির শুন্যস্থানে বসবে যে শব্দ-
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের শিল্পরীতির বৈশিষ্ট্যহচ্ছে, এটি___বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিনাট্যধর্মীপরিহাসমূলকনিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন-
- 'অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়'- বুঝিয়ে দাও।
- শামসুর রাহমানের 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের আজিজের পরোপকারের মাঝে 'বিড়াল' রচনায় প্রতিফলিত দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- "যখন বিচারে পরাস্ত হইবে তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'অতএব পুরুষের ন্যায় আচরণ করাই বিধেয়'—বলতে বিড়ালের প্রতি কোন ধরনের আচরণের কথাবলা হয়েছে?
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।"প্রকৃতির চিত্র উপস্থাপনে উদ্দীপকের সাথে- জীবনানন্দ দাশ সমান পারঙ্গম।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্হ হচ্ছে–
- 'জাদুঘর' কোন ধরণের শক্তিশালী সংগঠন?
- আনিসুজ্জামান ভারত সরকারের কোন রাষ্ট্রীয় পুরষ্কার লাভ করেন?
- আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতামগ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমানমিলিয়া বাউলাগান ঘাটুগান গাইতাম।………………………………………'করি ভাবনা সেদিন আর পাব নাছিল বাসনা সুখী হইতামদিন হতে দিন আসে যে কঠিনকরিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম।উদ্দীপক ও 'সেই অস্ত্র' কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- সে ডাহা নিমকহারাম" উক্তিটি কোন রচনায় আছে ?
- বাংলাদেশের কুটির শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছে নকশী কাঁথা। গ্রামের মেয়েরা সূচ-সুতার সাহায্যে অপূর্ব নকশা তোলে কাপড়??। এই নকশী কাঁথা নিয়ে কাব্য রচিত হয়েছে। বিদেশে রপ্তানি হয় নকশী কাঁথা। এভাবে দরিদ্র মেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরেও কুটির শিল্পের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এটি এখন একটি লাভজনক ব্যবসা। এর ফলে আমাদের লোকশিল্প তার হারানো গৌরব ফিরে পাচ্ছে।উদ্দীপকের কোন দিকটি 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।
- ’পথের দাবী’র মূল বক্তব্য কী?
- "ব্যোমযান, কামান, পদাতিযে রাষ্ট্রের অঙ্গ নয়, ন্যায়, ক্ষমা, মিতালী মনীষাযার মুখ্য অবলম্বন, জিজীবিষাসামান্য লক্ষণ।""কবিতাংশটির 'মুখ্য অবলম্বন' কথাটি দ্বারা 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির প্রত্যাশা পুরোপুরি ব্যক্ত হয়েছে।" মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- গাজী মিয়ার বস্তানী' কি ধরনের রচনা?
- শিশির চরিত্রটির প্রকৃত নাম কী?