‘সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ফুটে উঠেছে
কোন চরণে?
A.
আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায় ।
B.
আমি তো মরে যাবো, চলে যাবো, রেখে
যাবো সবই ।
C.
যেতে নাহি দিবো । হায়, তবু যেতে দিতে হয়।
D.
আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না ।
সঠিক উত্তরঃ
B.
আমি তো মরে যাবো, চলে যাবো, রেখে
যাবো সবই ।
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !'তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে'- উদ্দীপকের এ উক্তির আলোকে 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সোনার তরী" কোথায় বসে লেখা?
- 'তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি'-রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী, আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- ব্যাখ্যা করো।
- জীবনকে বয়সের সীমারেখা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। কবি সুকান্ত 'সোনার তরী' কবিতার অধিকাংশ পঙক্তি কত মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
- 'শ্রাবণ গগন ঘিরে’ এর পরের চরণ কোনটি?
- মানুষ মরণশীল এ সত্য 'চিরন্তন' কিন্তু মানুষের মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাঁদের জ্ঞান- বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাঁদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছেপৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।"উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব একই ধারা উৎসারিত।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- "সােনার তরী" কবিতায় 'বাঁকা জল' বলতে প্রতীকী অর্থে কী বােঝানাে হয়েছে?
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।'সৃষ্টিকর্ম সর্বদা মূল্যবান, সৃষ্টিকর্তা নয়'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- জয়নুল আবেদিন একজন কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তাঁর তুলির আঁচড়ে প্রতিফলিত বিভিন্ন বিষয় মানুষকে আজও সমানভাবে আলোড়িত করে।উক্ত সাদৃশ্যের প্রেক্ষিতে বলা যায়-
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি 'সোনার ধান'- প্রতীকে মানুষের সৃষ্টকর্মকে নির্দেশ করেছেন কারণ-
- শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ অবলম্বনে অঙ্কন করেন উপরের চিত্রটিসহ অসংখ্য চিত্র যেগুলো 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' নামে দেশ-বিদেশে সাড়া জাগায় এবং তাঁকে অমর করে তোলে।চিত্রটি 'সোনার তরী'র সঙ্গে কীভাবে সংগতিপূর্ণ তা বর্ণনা করো।
- তুমুল তুঙ্গে তীর-তিরন্দাজ ছুটবে বিজয় রথে সত্য-সপথ সমুন্নত ন্যায়-সংগ্রাম শান্তি পথেশোষণ স্তব্ধ হবে, বিজয় বলয় ছড়িয়ে যাবেদিকে দিকে মুক্তি এলেই প্রভাত ফেরি পাবে।জয় জনতার লাল পতাকার, বিজয় রক্ত পথে শান্তি-সাম্য-মুক্তি আসে জাতীয় ঐক্য ব্রতে।'উদ্দীপকটি কীভাবে জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে ধারণ করেছে? বিস্তারিত লেখো।
- "যত চাও তত লও তরণী পরে"- 'সোনার তরী' কবিতায় পরের পঙক্তি?
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- এখানে 'সোনার ধান' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।'- চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?