শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
A. অংকটি কষিতে ভুল করিও না।
B. অংকটি ভুল ভাবে করিও না
C. অংকটি করিতে ভুল করিও না
D. অংকটি ভুল করিও না।
সঠিক উত্তরঃ
D.
অংকটি ভুল করিও না।
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকগুলো আলোচনা করো।
- কোনটি সরল বাক্যের উদাহরণ?
- আমারে তোমার বুকে টেনে লও রাজাআমি হিন্দু না- আমি না মোছলমানযাবজ্জীবন কারাবাসসহ সাজাদেশাত্তরের খাঁটি নিষ্পাপ প্রাণ। (সত্যগুহ)উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সমগ্রভাব ফুটে উঠেছে কি? মতামত দাও।
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iনেলসন ম্যান্ডেলা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরচরিত্র দুটি কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?কারাভোগেপ্রতিবাদেদেশপ্রেমেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'রেইনকোট' গল্পে লেখক কোন ঋতুর কথা বলেছেন?
- করণ কারকের এ বিভক্তি উদাহরণ কোনটি ?
- মুহিউদ্দিন আহমদ কী রোগে ভুগছিলেন?
- বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ ভ্রাতা কে?
- প্লুরিসিস শব্দের অর্থ কী?
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।উদ্দীপকে গুলি খেয়ে মরার ঘটনাটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'বায়ান্নোর দিনগুলো' কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে ?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতেথাকে।'— এখানে কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?
- "অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতেপারি, সে মরাতেও শান্তি আছে। " "বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার উক্তিটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের যে মনোভাবপ্রকাশিত হয়েছে—দেশপ্রেমভাষাপ্রীতিআত্মসমর্পণনিচের কোনটি সঠিক?
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে। উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চেতনাপ্রকাশ পেয়েছে?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্কুলের ছাত্র ছিলেন?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুআশা করে।”— বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই উক্তির'অনেক কিছু' হলো—
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।উদ্দীপকের মার্টিন লুথার কিং চরিত্র 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে? আলোচনা কর।
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যবইয়ের 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে। মন্তব্যটি যাচাই কর।