'পথের পঁচালি' উপন্যাসের লেখক-
A. তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
B. বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
C. মানিক বন্দোপাধ্যায়
D. অতীন বন্দোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
B.
বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের শামীমা আখতার ও প্রশান্তের স্নেহের সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'চিনবে না। আমি অনেকদিন গাঁয়ে আসিনি"- উক্তিটি কে, কেন করেছে?
- বিভূতিভূষণের রচিত উপন্যাস কোনটি?
- আহ্বান' গল্পের স্নেহময়ী বৃদ্ধার স্বামীর নাম কী?
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- উদার মানবিক সম্পর্কের গল্প কোনটি?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিমেল। লেখাপড়ার ব্যস্ততায় তার গ্রামের বাড়িতে আসার খুব একটি সুযোগ হয় না। তবে ঈদের ছুটি, পূজার ছুটিতে যখন নিজ গ্রামে আসে, গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেয়; সেবা-যত্ন করে। নিজের নাস্তার খরচ, হাত খরচ থেকে বাঁচানো টাকায় গ্রামের হতদরিদ্র অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করে। এমনকি দুস্থদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে সে কাফনের কাপড় পর্যন্ত কিনে দেয়। গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে।'গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে- গোপালের ক্ষেত্রেও একথা সমভাবে প্রযোজ্য'-উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- বুড়ি কেন বারবার গোপালের কাছে যেতেন?
- পাঠ্যসুচিভুক্ত “আহবান' গল্পের বুড়ির স্বামীর নাম কী?
- 'আহ্বান' গল্পে গোপালকে দেওয়ার জন্য হাজরা ব্যাটারবউ বুড়িকে কী দিয়েছিল?
- কোন শব্দটি 'সাগর' শব্দটির সমার্থক শব্দ নয়?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- 'আহবান' গল্পে গল্পকথক বুড়ির কাছ থেকে পেত-
- ‘জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- ''পথের পাঁচালী" উপন্যাসের লেখক কে?
- কোন বাক্যটি ভুল?
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।"উদ্দীপকের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও 'আহ্বান' গল্পের মূল বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা।"- মূল্যায়ন করো।
- 'আহবান' গল্পের মূখ্য বিষয়-
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' গল্পে যে বিষয়টিফুটে উঠেছে—