আমরা দশ-পনের টাকার বিনিময়ে মনুষ্যত্ব, স্বাধীনতা অনায়াসে
প্রভুর পায়ে বিকাইয়া দিব তবু ব্যবসা-বাণিজ্যে হাত দিব না,
নিজ পায়ে দাঁড়াতেই চেষ্টা করিব না। এই জঘন্য দাসত্বই
আমাদিগকে এমন ছোট হীন করিয়া তুলিতেছে।
উদ্দীপকের নিজ পায়ে দাঁড়ানোর জন্য 'আমার পথ'-
এ কোন দিকটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
A.
তারুণ্যের শক্তিতে
B.
ভণ্ডামি থেকে মুক্তিতে
C.
রাজভয়ে ভীত না হওয়ায়
D.
নিজেকে চিনে নিজ সত্যে পথ চলায়
সঠিক উত্তরঃ
D.
নিজেকে চিনে নিজ সত্যে পথ চলায়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' -কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- রক্তের অক্ষরে দেখিলামআপনার রূপচিনিলাম আপনাকেআঘাতে আঘাতে;সত্য যে কঠিনকঠিনেরে ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
- 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।উদ্দীপকের শম্ভুর সাথে আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকেরস্বাতন্ত্র্য কীসে?
- যৌবনের পুজারি কে?
- 'গীত গোবিন্দ'- এর রচয়িতা কে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কিসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন?
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কে মিথ্যাকে ভয় পায়?
- কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ঠিক?
- নিচের কোনটি নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থ
- ’বার্ধক্য তাহাই-যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকডিয়া পড়িয়া থাকে।’ উক্তটি কার?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে সবচেয়ে বড়ো ধর্ম কী?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- ভারতবর্ষে দাসত্বের সবচেয়ে বড়ো কারণ কোনটি?