কোন নদীর পলিতে 'গলিতে হেম' আছে?
A.
পদ্মা
B.
মেঘনা
C.
সুরমা
D.
কর্ণফুলী
সঠিক উত্তরঃ
C.
সুরমা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোননদীগুলোর উল্লেখ রয়েছে?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে আলাদাভাবে প্রাণহীন বলা যায় যে প্রাণীকে?
- বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দু'পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।উদ্দীপকের সাথে 'ঐকতান' কবিতার কী বৈসাদৃশ্য আছে লেখ।
- বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর?জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।"উদ্দীপকের মূলবক্তব্যের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলবক্তব্য কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় ভয়াল ঘূর্ণিরসঙ্গে তুল্য-
- ” স্বর্ণশ্যাম বুক ছিঁড়ে/অস্ত্র হাতে নামে সাস্ত্রী কাপুরুষ,” কাদের কথা বলা হল?
- ক্ষীরের পুতুল' কার রচনা?
- মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম। হিন্দু-মুসলমানদের মিলনের অন্তরায় বা ফাঁকি কোনখানে তা দেখিয়ে দিয়ে এর গলদ দূর করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষে মানুষে যেখানে প্রাণের মিল, আদত সত্যের মিল, সেখানে ধর্মের বৈষম্য কোনো হিংসার দুশমনীয় ভাব আনে না। যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।উদ্দীপকের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা কর।
- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে সভ্যতার যে নেতিবাচক দিকগুলোফুটে উঠেছে—
- 'এবার ফিরাও মোরে' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিসত্তাকে আহ্বান করেছিলেন দারিদ্রপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শক্তির উদ্বোধন ঘটাবার জন্য। তিনি এতে বলেছেন, যারা দরিদ্র, তারা বংশ পরম্পরায় দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তাদের মুখের অন্ন কেউ কেড়ে নিলেও তারা থাকে মুক ও ভীতসন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সবিনয়ে নালিশের ভাষাও যেনো এদের নেই। স্বয়ং বিধাতাও যেনো এদের প্রতি বিমুখ। কবি বলেছেন যে এদের মুখে দিতে হবে ভাষা।উদ্দীপকে বর্ণিত কবির আহ্বান 'ঐকতান' কবিতায় কতটা প্রতিফলিত হয়েছে?
- জগৎ জুড়িয়া আছে এক জাতিসে জাতির নাম মানুষ জাতি।উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবটি নিচের কোন চরণেরসঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
- 'বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধির ইশারা তা নয়', এটি -
- ফার্সী কোন দেশের রাষ্ট্রীয় ভাষা?
- ‘ওরা কদম আলী’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- ??ই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।"উদ্দীপকের শুকদেবপুর গ্রামটি যেন 'সাম্যবাদী' সমাজেরই মূর্ত রূপ।"- মূল্যায়ন কর।
- বনচারী বাতাসের তালে কী দোলে?
- জ্ঞানের দীনতা সত্ত্বেও কবি কীভাবে নিজের কাব্যভান্ডার পূর্ণ করছেন?
- 'আর মরমের ব্যথা লুকায়ে মরমেজঠর অনলে দহিতে।' এখানে 'জঠর অনল' বলতেবোঝায়—
- 'কমলাকান্তের জবানবন্দি' প্রবন্ধে মোকদ্দমার ফরিয়াদির নাম-
- 'যে অস্ত্র ব্যাপ্ত হলে'- এর পরের লাইনটি কী?