‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’-এর রচয়িতা কে?
A. সিকানদার আবু জাফর
B. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
C. ফররুখ আহমদ
D. আহসান হাবীব
সঠিক উত্তরঃ
B.
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
Explanation: আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি'- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার', ‘কখনও রং কখনও সুর’, ‘কমলের চোখ’, ‘সহিষ্ণু প্রতিক্ষা’, ‘প্রেমের কবিতা’, ‘নির্বাচিত কবিতা’ ইত্যাদি।
Related Questions (Any University/Year)
- কীসের মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা?
- বিভিন্ন মুখের কোটি অশ্বারোহী এসেখুরে খুরে ক্ষতময় করে গেছে সহনীয়া মাটি,লালসার লালামাখা ক্রোধে বন্দুক কামান কতঅসুর গর্জনে চিরেছে আকাশ পরিপাটি,বিদীর্ণ বুকনীল বর্ণ হয়ে গেছে তুমি, বাংলাভূমি।'লালসার লালা মাখা ক্রোধে কীভাবে আমাদের হাজার বছরের ইতিহাসের পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায়? উদ্দীপক ও 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার প্রেক্ষাপটে আলোচনা করো।
- আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরিয়ত থেকে।আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে।এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে।এসেছি বাঙালি জয়নুল আর অবন ঠাকুর থেকে।এসেছি বা???ালি রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ থেকে।উদ্দীপকের চেতনার সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথাবলছি' কবিতার যে চরণের মিল রয়েছে—
- ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’–কবিতাটি কার লেখা?
- 'বিচলিত স্নেহ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- আমি কবি ও কবিতার কথা বলছি । পাঠ্যবইয়ের কোন কাবিতায় পঙ্গক্তিটি রয়েছে ?
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ভাষায় যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজীবন কী থেকে যাবে?
- কোনটি শওকত ওসমানের রচিত উপন্যাস?
- যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম কী থেকে যাবে?
- ‘সাতনরী হার’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?
- নব দিগন্তের নতুন চলার চিঠি।মেলেছে এ জীবন সম্ভাবনার দীতি।আমায়, যদি প্রশ্ন করেকাব্য-গীতির কোন দেশবলব আমি বাংলাদেশ।
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে বৈসাদৃশ্য থাকলেও উভয়ের যোগসূত্র কোনটি?
- যে কবিতা শুনতে জানে না সে মায়ের কোলে শুয়েকী শুনতে পারে না?
- নব দিগন্তের নতুন চলার চিঠি।মেলেছে এ জীবন সম্ভাবনার দীতি।আমায়, যদি প্রশ্ন করেকাব্য-গীতির কোন দেশবলব আমি বাংলাদেশ।
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিশ্বম্ভর বাবুর পূর্বপুরুষের যে ইতিহাস তা মূলত 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সারাংশ।"- বিশ্লেষণ করো।
- আমি যে এসেছি জয়বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকেআমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকেএসেছি আমার পেছনে চরণচিহ্ন ফেলেশুধাও আমাকে এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে?উদ্দীপকের আলোকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাব আলোচনা কর।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখার উপায় কী বলে মনে করেন?
- কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতেদুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? উদ্দীপকটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতা কোনচরণকে সমর্থন করছে?
- ‘জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি কবিতা।' শূন্যস্থানে কোন শব্দ বসবে?
- হে দেশ আমার, বন্যার মতোসমস্ত পলিমাটির অভিজ্ঞতাকে গড়িয়ে এনে একটি চেতনাকেউর্বর করেছি;এখানে আমাদের মৃত্যু ও জীবনের সন্ধি,সমুদ্র সৈকতে দুঃসাহসী নাবিকের করোটির ভেতর যেমনদূরদিগন্তের হাওয়া হাহাকার করেতেমনি এখানে রয়েছে একটি কোমল নারীর আশাহত সখিনা হৃদয়এখানে রয়েছে মা আর পিতা,ভাই আর বোন, স্বজন বিধুর পরিজনআর তুমি আমি, দেশ আমার।"উদ্দীপকটিতে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মতোই বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস বিধৃত হয়েছে।"- তোমার মতামত দাও।