রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।
'প্রিয়জন হারানোর বেদনা কবিতা এবং উদ্দীপকে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত।'- তোমার মত দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কার রক্তে বাস্তবের বিশাল চত্বরে ফুল ফোটে?
- 'অলখ' শব্দের অর্থ কী?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য থাকলেও বৈপরীত্য কম নয়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'নীরব কেন' বলতেবোঝায়—কবি উদাসীন হয়ে আছেন কেন?কবি কেন বসন্তকে সম্বোধন করছেন না?কবি কেন কাব্য রচনায় সক্রিয় হচ্ছেন না?নিচের কোনটি সঠিক?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।"উদ্দীপকের সালমার মনের কষ্ট আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এক সূত্রে গাঁথা'- আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.'উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'উত্??রী' শব্দের অর্থ কী?
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় ‘কহিল সে পরম হেলায়’ - এর পরের পংক্তিটি-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কোন ছন্দে রচিত?
- 'আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে রয়েছে তার জন্য।' উদ্দীপকের ‘তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি?
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।বসন্তের সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে'- উদ্দীপকের উক্তিটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- 'আমি কবি— বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গানকরা'— একথার প্রতিধ্বনি আছে কোন কবিতায়?
- 'অলখ' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত হীরকঅলক্ষদৃষ্টির অগোচরেসীমার বাইরেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাকে কোন সুর আচ্ছন্ন করে আছে?
- প্রকৃতি ও মানব মনের সম্পর্ক তুরে ধরা হয়েছে কোন কবিতায়?