'বর্গি এস খাজনা নিতে
মারল মানুষ কত।
পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামল
গ্রাম যে শত শত।
হানাদারের সজো জোরে
লড়ে মুক্তি সেনা,
তাদের কথা দেশের মানুষ
কখনো ভুলবে না।'
উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- সালভাদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতাগ্রহণ করে আলেন্দ কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উভয় চরিত্রের সাদৃশ্যগত বৈশিষ্ট্য— ক্ষমতালিপ্সাবিশ্বাসঘাতকতাকাপুরুষতানিচের কোনটি সঠিক?
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো ?'কে কাকে এ কথা বলেছেন ?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- আলিনগরের সন্ধি কত সালে করা হয়?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।উদ্দীপকের তিতুমীর চরিত্রকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনা কর।
- মীর জাফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-ক্ষমতালোভী, পরশ্রীকাতরকূটকৌশলী, ব্যক্তিত্বশালী সুযোগসন্ধানী, ষড়যন্ত্রকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' 'নাটককে একই সূত্রে বাঁধা যায় কি? যুক্তি প্রদর্শন করো।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী ছিল?
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- "শুধু ওই একটি পথেই আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।" কিভাবে?
- উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
- ''সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে লুৎফুন্নেসা কার কন্যা?
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।'খাল কেটে কুমির আনা।' প্রবাদটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।"- উক্তিটির সার্থকতা নিরূপণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপ-
- ‘ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়লজ্জার কথা।'— উমিচাঁদের উক্তিটিতে প্ৰকাশপেয়েছে—
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
- রাইসুল জুহালাকে বুটের লাথি মারে কে?