‘মর্সিয়া’ শব্দের অর্থ কী?
A. মরণশীল
B. মুমূর্ষু অবস্থা
C. মরমী
D. শোকগীতি
সঠিক উত্তরঃ
D.
শোকগীতি
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- এ বছর রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির কত বছর পূর্ণ হল?
- 'অপরিচিতা' গল্পটি রবীন্দ্রগল্পের কোন সংক??নে প্রথম গ্রন্থভুক্ত হয়?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।'উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের- বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।'- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্য, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না।.... দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।"উদ্দীপকের ভাবার্থের মতো সীমাবদ্ধতাই অনুপম চরিত্রের একমাত্র দিক নয়, বৃত্তভাঙার আনন্দও তার আছে"- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- 'ফলুর বালির মতো তিনি আমাদের সমস্ত সংসারটা নিজের অন্তরের মধ্যে শুষিয়া লইয়াছেন।' উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের অনুপস্থিত মেজো ভাই যেন 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম।- মন্তব্যটি যৌক্তিকতা বিচার করো।
- কোন লেখক জীবনানন্দের কবিত???কে ‘চিত্ররূপময়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন?
- ‘অপরিচিতা' গল্পের নায়কের নাম কী ?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর রচনায় মানুষের বয়স কত বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের আলোকে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের পরিণতি বর্ণনা কর।
- ছেলেবেলায় অনুপমের চেহারা নিয়ে বিদ্রুপ করার সময় পণ্ডিতমশায় কোন দুটি ফুল ও ফলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন?
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছিল না...........।উদ্দীপকের শিক্ষিকার মধ্যে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চারিত্রিক প্রবণতাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- অপরিচিতা' গল্পে 'জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া কীসের ইঙ্গিত?
- Manifesto- এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
- প্রায় এক বছর হলো বাজিতপুর নিবাসী কেরামত আলীর ছোট মেয়ে বিজলীর সাথে মনোহরপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার একমাত্র ছেলে হাশিমের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই হাশিমের পরিবার বিজলীর উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন শরু করেছে। বিজলীর অপরাধ- বিয়ের সময় তার বাবা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যৌতুকের সমস্ত টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। তাই বিজলীকে নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে এ নির্যাতন।উদ্দীপকের বিজলীর সাথে 'অপরিচিত' গল্পের কল্যাণী চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধর।
- 'ঘরে - বাইরে' গ্ৰন্থের রচয়িতা -
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।তুমি কি মনে করো যৌতুক প্রথাই বিয়ে ভেঙে যাওয়ার একমাত্র কারণ? উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে বিচার করো।
- 'দিবারাত্রির কাব্য' কী জাতীয় রচনা?