সবগুলো গ্রন্থই কাজী নজরুল ইসলামের- এমন গুচ্ছ নয় কোনটি?
A. অগ্নি-বীণা, সাম্যবাদী, মৃত্যুক্ষুধা
B. বিষের বাঁশি, সর্বহারা, রিক্তের বেদন
C. সিন্ধু-হিন্দোল, কুহেলিকা, রুদ্র-মঙ্গল
D. চক্রবাক, ফাল্গুনী,ব্যথার দান
সঠিক উত্তরঃ
D.
চক্রবাক, ফাল্গুনী,ব্যথার দান
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কাজী নজরুল ইসলামের গ্রন্থ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. অগ্নি-বীণা, সাম্যবাদী, মৃত্যুক্ষুধা: ভুল, এই গ্রন্থগুলি কাজী নজরুল ইসলামের। B. বিষের বাঁশি, সর্বহারা, রিক্তের বেদন: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. সিন্ধু-হিন্দোল, কুহেলিকা, রুদ্র-মঙ্গল: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. চক্রবাক, ফাল্গুনী, ব্যথার দান: সঠিক, এই গ্রন্থগুলো কাজী নজরুল ইসলামের নয়। নোট: এই প্রশ্নে ভুল গ্রন্থের গুচ্ছের ভিত্তিতে সঠিক উত্তর বের করা হয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লিইব. এর লেখক
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটিতে কাজী নজরুল ইসলাম কোন সম্ভে দাম্ভিক হওয়ার কথা বলেছেন?
- যৌবনের গান রচনাটি প্রকৃতপক্ষে একটি-
- কাজী নজরুল ইসলামের নাটক -
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- ‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠ’- এই গানের গীতিকার কে?
- আপনার সত্যকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা–
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।এই অনুচ্ছেদে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
- ফুলমনি ও করুণার বিবরণ উপন্যাসটি কার লেখা?
- অনেক সময় খুব বেশি বিনয়ী দেখাতে গিয়ে নিজের ......... অস্বীকার করে ফেলা হয়।' শূণ্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- খোদা হাত দিয়েচেন বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য ্ কার অভব্যক্তি/
- নজরুলের মতে গান্ধীজি শিখিয়েছিলেন-
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার করেছেন?
- আজ ---- কোটা পার হইয়াও দেখি, ও-সকল বিষয়ের ধারণা --- একরকমই আছে
- 'কুর্নিশ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন গল্পে?
- নীচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুসারে আত্মকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি হলো-
- সবচেয়ে বড় দাসত্ব কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?