তেলা মাথায় তেল দেওয়া কার রোগ?
A. অসুর জাতির
B. দেবতাদের
C. মনুষ্য জাতির
D. কিন্নর জাতির
সঠিক উত্তরঃ
C.
মনুষ্য জাতির
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "নিজের কোন নদীটির উল্লেখ এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে" কবিতে পাওয়া যায় না?
- পদ্মানদীর মাঝি ' উপন্যাসটির লেখক কে?
- মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও ব্যাখ্যা কর।
- অপুর কেমন মনে হয় নিশ্চিন্দিপুরের সেই অপূর্ব মায়ারূপ এখানকার কিছুতেই নাই। কোথায় সে নিবিড় পুষ্পিত ছাতিম বন, ডালে ডালে সোনার সিঁদুর ছড়ানো সন্ধ্যা? আজ কতদিন সে নিশ্চিন্দিপুর দেখে নাই- তিন বৎসর! কত কাল! সে জানে নিশ্চিন্দিপুর তাহাকে দিনে-রাতে সবসময় ডাকে। বাঁশবনটা ডাক দেয়, দেবী বিশালাক্ষী ডাক দেন। এতদিনে তাহাদের সেখানে ইছামতিতে বর্ষার ঢল নামিয়াছে। ঝোপে ঝোপে নাটা কাঁটা, বনকলমীর ফুল ধরিয়াছে। বন অপরাজিতার নীল ফুলে বনের মাথা ছাওয়া।"উদ্দীপকের অন্তলীন দেশপ্রেম 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়ও ফুটে উঠেছে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।’ চরণটি কোন কবিতার?
- 'উলঙ্গ বালব - এর আলোয় তার সযত্নে মেছোয়াক করা দাঁত ঝকঝক করে।' এ কথা কার দাঁত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- ’’কবর’’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- 'ক্ষুধার্ত কালেভদ্রে অপরের খাওয়া দেখেও নাকি শান্তি পায় ।' - বাক্যটির লেখক
- 'ঘরটায় তেমন আলো নেই বটে কিন্তু দেখুন জানালার পাশেই সরকারি আলো।' কোন রচনার অংশ?
- বন্দে আলী মিয়া কোন জেলার কবি ছিলেন ?
- মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্হের উপজীব্য হিন্দু মুসলমানের বিরোধ?
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্হ হচ্ছে–
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- ’মানুষ মরে গেলে পচে যায। বেঁচে থাকলে বদলায়।’ সংলাপটি কার?
- 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' কবিতায় নূরলদীনকাদের জেগে ওঠার আশায় ডাক দিবেন?
- বাবু মজুমদার এলাকার জনগণকে অনেক ভয়ভীতি দেখিয়েওজনসমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন; অথচ তার ছেলে স্বপনমজুমদার সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে, সম্পদে-বিপদেকাছাকাছি থেকে সকলের প্রিয় ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকের বাবু মজুমদারের মনোভাব ‘সেই অস্ত্র'কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরবর্তী রামাল্লার একটি গ্রামে এক নারী ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি যুদ্ধে ব্যবহৃত খোলস ব্যবহার করে তা দিয়ে ফুল চাষ করে সাজিয়ে তুলেছেন নিজের বাগান। এ যেন এক অভিনব প্রতিবাদ যুদ্ধের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে। যে গ্রেনেড যুদ্ধে কেবল ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করা হয় সেই গ্রেনেডের খোলসে ফুলের চাষ যেন অস্ত্র, রক্ত আর ক্ষমতার দাপটে গড়ে ওঠা আধুনিক বিশ্বের ভয়াবহতার মুখে চপেটাঘাত। আর এই আঘাত যেন যুদ্ধের বদলে ভালোবাসার জবাব।উদ্দীপক এবং 'সেই অস্ত্র' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে 'যুদ্ধ নয় শান্তি, অস্ত্র নয় ভালোবাসা'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- কোনটি মুনীর চৌধুরীর রচনা নয়?
- লোকটি এমনিতেই হুজুগে মানুষ। লোকটি কে?
- জেলা শহরের সরকারি হাসপাতালে দক্ষ চিকিৎসক ডাক্তার হুমায়ুন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে রোগীদের তিনি পরম যত্নে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একদিন যমুনা নামে এক অসহায় বৃদ্ধা টাকার অভাবে হাসপাতারের টিকেট না কেটে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে পড়লে ডাক্তারের সহকারী দুর্ব্যবহার করে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিতে চায়। ডাক্তার হুমায়ুন যমুনাকে ডেকে তার কথা শোনন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে সহকারীকে ডেকে বলেছেন, "অসহায় মানুষের সেবা করা মানবতার কাজ। সকল মানুষ আমার কাছে সমান।"উদ্দীপকের ডাক্তারের সহকারীর 'দুর্ব্যবহার'-এর সঙ্গে 'সাম্যবাদী' কবিতার 'দোকানে কেন এ দরকষাকষি' চরণের ভাবগত সাদৃশ্য দেখাও।