গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'
উদ্দীপকের সঞ্জয় 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? বুঝিয়ে দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কলি' কী?
- বাবার মোটা টাকার যৌতুকের দাবির কারণে সবুজের বিয়েভেঙে যেতে বসল। পিতার অনুগত সন্তান হওয়া সত্ত্বেওসবুজ শেষ পর্যন্ত বিনা যৌতুকে রথীকে বিয়ে করে আনল।উদ্দীপকের সবুজের কোন বৈশিষ্ট্য 'অপরিচিতা' গল্পেরঅনুপমের চরিত্রে থাকলে তার বিয়ে ভাঙত না?
- অনুপমের ??াছে চিরকাল বড়ো সত্য কী?
- নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর পেশা কী ছিল?
- ‘কালের যাত্রা’ নাটকটির রচয়িতা-
- প্রাতঃকালে স্মরণ করার যোগ্য-
- অনুপমের মামার মন কীভাবে নরম হলো?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' একটি-
- অনুপমের মামা সেকরাকে বিয়েবাড়িতে এনেছিল কেন?
- ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’-এর রচয়িতা কে?
- 'মহাজাগতিক' শব্দটি কোন পদ?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'অপরিচিতা' ছোটগল্পে ডাক্তারের নাম কি ?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের অনুপস্থিত মেজো ভাই যেন 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম।- মন্তব্যটি যৌক্তিকতা বিচার করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি কার হাতের বাঁশরী?
- বাংলা সাহিত্যে ছোট গল্পের জনক কে ?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা” কি?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।উদ্দীপকে বর্ণিত রফিক চরিত্রের সাথে 'অপরিচিতা'- গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
- কোন কবি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?