প্রাথমিক শিক্ষা স্তরকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তর ধরা হলে এই স্তর শেষে শিক্ষার্থীগণ যে জ্ঞান , দক্ষতা ,দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ অর্জন করে তার সমষ্টি হলো -
A. শিখন ফল
B. প্রান্তিক যোগ্যতা
C. অর্জন উপযোগী প্রান্তিক যোগ্যতা
D. বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা
পিএসসি পিটিআই , শিক্ষকসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলাদেশের শিক্ষাবাংলাদেশের শিক্ষা (Topic Practice)পিএসসি পিটিআই , শিক্ষক - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
শিখন ফল
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শিখন-শেখানো কার্যক্রমের কোন নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধানকল্পে কোন ধরনের গবেষণা বেশি উপযোগী?
- What is "University Grants Commission" in Bangla?
- বর্তমানে বাংলাদেশে কোন শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বাধ্যতামূলক ?
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
- As per the declaration of the government, Bangladesh will turn into 'Smart Bangladesh' by-
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন?
- দেশ ভালো হয় যদি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ভালো হয়- কে বলেছিলেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- The 52nd Convocation Speaker of the University of Dhaka is -
- কোন ইংরেজ ভাইসরয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন?
- বিশ্বের প্রথম ও প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় কোন টি
- শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর প্রথম বক্তৃতা করেন-
- প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে অর্জন উপযোগী প্রান্তিক যোগ্যতা মোট কয়টি?
- বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় -
- "ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি" কয়টি সরকারি কলেজ নিয়ে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শতবর্ষের প্রথম গবেষণা-প্রকাশনা মেলা অনুষ্ঠিত হয় --- সালে। (The first Centennial Research-Publication Fair of the University of Dhaka was held in ___.)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
- সরকার কোথায় রবীন্দ্রনাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে-
- নিচের গদ্যাংশটি পড়ে প্রদত্ত প্রশ্নগুলোর (ক-ঙ) উত্তর দাও :মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয়- এ এক জাগতিক মানবধর্ম। তাই এর সাথে মানব-মর্যাদার তথা Human dignity-র সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখলে কী দেখতে পাই? দেখতে পাই দুস্থ, অবহেলিত, বাস্তুহারা, স্বদেশ-বিতাড়িত মানুষের সংখ্যা দিন দিনই বেড়ে চলেছে। সে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে রিলিফ, রিহেবিলিটেশন ইত্যাদি শব্দের ব্যাপক প্রয়োগ। রেডক্রস ইত্যাদি সেবাধর্মী সংস্থার সংখ্যা বৃদ্ধিই কি প্রমাণ করে না মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব-অপমানে পরিণত হয়েছে? মানুষের স্বাভাবিক অধিকার আর মর্যাদার স্বীকৃতি আর প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানব-কল্যাণ মানব-অপমানে পরিণত না হয়ে পারে না । কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ। তাই Go of humanity-কে বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত কিংবা খণ্ডিতভাবে দেখা বা নেওয়া যায় না। তেমনি নেওয়া যায় না তার কল্যাণকর্মকেও খণ্ডিত করে। দেখতে মানুষও অন্য একটা প্রাণী মাত্র, কিন্তু ভেতরে মানুষের মধ্যে রয়েছে এক অসীম ও অনন্ত সম্ভাবনার বীজ। যে সম্ভাবনার স্ফুরণ-স্ফুটনের সুযোগ দেওয়া, ক্ষেত্র রচনা আর তাতে সাহায্য করাই শ্রেষ্ঠতম মানব-কল্যাণ ।