হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।
হৃদপিন্ডের বাম অলিন্দ থেকে পালমোনারী ধমনী উৎপন্ন হয়।
পালমোনারী ধমনীর প্রবেশ মুখে একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা থাকে
পালমোনারী শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নিয়ে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বিচক্রীয় সংবহন দেখা যায়।