(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)
(খ) অথবা বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- তুমি দীর্ঘজীবী হও। ( নির্দেশাত্নক)
- যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত। (অনুজ্ঞা)
- শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক)
- যা বার্ধক্য, তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)
- তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো। (যৌগিক)
- এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক)