আপনার প্রতিষ্ঠানের লোগো সহ ডাউনলোড করতে প্রথমে লগইন করুন!
100%

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার

(খ) অথবা  বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ

  1.  তুমি দীর্ঘজীবী হও।  ( নির্দেশাত্নক) 
  2. যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম।। ( বিস্ময়সূচক) 
  3. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।  (জটিল) 
  4. রচনায় সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা উচিত।  (অনুজ্ঞা) 
  5. শহিদের মৃত্যু নেই। (অস্তিবাচক) 
  6. যা বার্ধক্য,  তাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।  (সরল) 
  7. তুমি এখন না ঘুমিয়ে মাঠে দৌড়ে এসো।  (যৌগিক) 
  8. এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। (নেতিবাচক) 

বাংলা ব্যাকরনবাক্য প্রকরণ এবং ছন্দ ও অলংকার