(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- আমার কেনা বইটি খুব দামি। (জটিল)
- দশ মিনিট পর ট্রেন এলো। (যৌগিক)
- কেউ অন্ধের দুঃখ বুঝল না। (প্রশ্নবোধক)
- পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। (অস্তিবাচক)
- দেশের সেবা করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
- লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
- যে সত্য কথা বলে, সবাই তাকে ভালোবাসে। (সরল)