আপনার প্রতিষ্ঠানের লোগো সহ ডাউনলোড করতে প্রথমে লগইন করুন!
×
লগইন করুন
100%
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-
দুঃক-কষ্ট মানবের মনকে সবল ও দৃঢ় করে। জীবনে যে যত উন্নতি করতে চায় তাকে তত বাধাবিঘ্ন সহ্য করতে হয়। সহিষ্ণুতা যার নেই সে বড় বড় বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করতে পারে না। ব্যক্তিগত জীবনেই হোক আর জাতীয় জীবনেই হোক, সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোনো বড় কাজ করা যায় না ।এই অনুচ্ছেদে যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হলো-