আপনার প্রতিষ্ঠানের লোগো সহ ডাউনলোড করতে প্রথমে লগইন করুন!
×
লগইন করুন
100%
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-
একটি লবণের দ্রবণে ধীরে ধীরে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে নীলা সবুজ অধ ক্ষেপ পড়ে। পরে এতে অধিক পরিমাণে অ্যামোনিয়া দ্রবণ যোগ করলে অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে নীল বর্ণের দ্রবন উৎপন্ন হয়। লবণটি হল-