হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে
হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী সেটির বৈশিষ্ট্য হলো –
প্রাচীর বেশ পাতলা
স্পন্দন আছে
গহ্বর বড়
কপাটিকা থাকে