রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।
উদ্দীপকের রেবেকা সুলতানার 'সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' গ্রন্থেরে লেখক কে?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দী" নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?
- 'বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।' কে বলেছেন ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কী ফুটে উঠেছে?
- পরের মুখে শেখা বুলি পাখির মতো কেন বলিস?পরের ভঙ্গি নকল করে নটের মতো কেন চলিস?তোর নিজস্ব সর্বাঙ্গে তোরে দিলেন বিধাতা আপন হাতে,মুছে সেটুকু বাজে হলি, গৌরব কি বাড়ল তাতে?আপনারে যে ভেঙ্গে চুরে গড়তে চায় পরের ছাঁচেঅলীক, ফাঁকি মেকি সে জন নামটা তার কদিন বাঁচে?"উদ্দীপকের মূলভাব ব্যক্তিতে চর্চিত হলে 'আমার পথ' প্রবন্ধের উদ্দেশ্য বিশ্বের আদর্শ হতো।"- মন্তব্যটি বিশেষণ কর।
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।'উদ্দীপকের মিজান সাহেবের মাধ্যমে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাণী উচ্চারিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- 'আত্মকে চেনা, নিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভ' -সম্পর্কে কোনটি গ্রহণযোগ্য— এ দম্ভ শির উঁচু করে মতে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার' ভাব আনেঅসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রত করেনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মাকে চিনতে বলেছেন কোন প্রয়োজনে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।"উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের ভাব সবটুকু প্রতিফলিত হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের গল্প কোনটি?
- কবি নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- "গাহি সাম্যের গান, যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে। সব বাধা ব্যবধান।"উদ্দীপকে ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক যে ধর্মের কথা বলেছেন, তা হলো-
- ‘বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে কোন নামটি যুক্ত?
- 'একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব।'- ব্যাখ্যা করো।
- "স্বল্পপ্রাণ,স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তি প্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।" কোন প্রবন্ধের অংশ?
- সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব কোনটি?
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য লেখো।