একসময় ঈশা খাঁর সঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।
'উদ্দীপক ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবনা এক নয়।'- মন্তব্যটি বিচার করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিভীষণের প্রতি মেঘানদ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কোনটি মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
- “নিজগৃহপথ তাত দেখাও তস্করে?” - এ কবিতাংশে 'তাত' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা কোনটি?
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষাকরার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় লতিফ। দেশকে স্বাধীনকরে তবেই ঘরে ফিরবে এই প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধ করে যায়লতিফ। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতারদ্বারপ্রান্তে ঠিক সে সময় উজিরপুরের পাকিস্তানি ক্যাম্পে,অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল লতিফরা। তথ্যটি রাজাকারনিজামুদ্দীন হানাদার বাহিনীকে জানিয়ে দিলে পাকিস্তানিবাহিনীর অতর্কিত হামলায় লতিফরা শহিদ হয় ।উদ্দীপকের নিজামুদ্দীন 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতাংশের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- আরিফ ও সোহেলের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মাহমুদপুর গ্রামে। পার্শ্ববর্তী কাশিপুর গ্রামের মানুষের সাথে মাহমুদপুরবাসীদের দ্বন্দ্ব চিরকালের। কাশিপুরের এক মেয়ের সঙ্গে সোহেলের হৃদয় দেওয়া-নেওয়া। ধান কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে মারামারি লাগার উপক্রম। হলে আরিফ গ্রামের সকলকে ডেকে আনা, লাঠিসোঁটা জোগাড় করা, জীবনের তোয়াক্কা না করে গ্রামের ইজ্জত রক্ষায় যখন কাশিপুরবাসীদের প্রতিহত করার পরিকল্পনা করে তখন শুধুই প্রেমের টানে পরিবার, সমাজ ও এলাকার স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে সোহেল কাশিপুরবাসীদের কাছে মাহমুদপুর গ্রামের সকল প্রস্তুতি ও কৌশলের কথা ফাঁস করে দেয়।'উদ্দীপকের আরিফের মধ্যে এলাকার জন্য যে মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় তা ব্যাপকতা লাভ করেছে।'- বিচার করো।
- 'একেই কি বলে সভ্যতা' মাইকেল মধুসুদন দত্ত রচিত-
- নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ কোন দেবতার উদ্দেশে পূজা নিবেদন করেছিলেন ?
- এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে’- এখানে ’বিষাদে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- “স্বদেশের উপকারে নাই যার মনকে বলে মানুষ তারে, পশু সেই জন ।"উদ্ধৃত কবিতাংশটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতারকোন চরিত্রকে ইঙ্??িত করে?
- বাবার ব্যবসায় দুর্দিন দেখা দিলে বড় ছেলে বাবার ব্যবসায় হাত মেলায় ভবিষ্যতের আশায়। ছোট ছেলে বাবার ব্যবসায়িক দুর্দিন কাটানোর চেষ্টার অংশহিসেবে বড় ভাইকে বাবার পাশে থাকার অনুরোধ করে, কিন্তু বড় ছেলের অভিযোগ- বাবার একগুঁয়ে মনোভাব আর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পারিবারিক ব্যবসা ডুবতে বসেছে। তাঁর ব্যর্থতার দায়ভার আমি নেব কেন? বড় ভাইয়ের সমর্থন না পেয়ে সুদিন ফিরিয়ে আনতে একা সংগ্রাম চালিয়ে যায় ছোট ছেলে।উদ্দীপকের ছোট ছেলে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার কোন চরিত্রের অনুরূপ? কীভাবে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
- জীবনযাপনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত থাকার পরও কেবলঅসৎসঙ্গের কারণে নেশা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়ইকবাল ।উদ্দীপকের ইকবাল 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতার কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?
- সনেটের ক’টি অংশ?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম সনেট?
- "নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা!" উক্তিটি কার?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশটুকু 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র কোন সর্গ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলতে বোঝায়-
- 'মেঘনাদবধ কাব্য'টি সর্বমোট কতটি সর্গে বিন্যস্ত?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।