শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যা বললেন তা বুঝতে পারল পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়া
কয়েকজন শিক্ষার্থী। শিক্ষকতো আছেনই বোঝানোর জন্য, এই
ভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য।
উদ্দীপক 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে অনুষঙ্গ ধারণ করে তা হলো—
- দাসত্ব
- স্বাবলম্বন
- পরাবলম্বন
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি নজরুল ইসলাম এর প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গ্রন্থ কোনটি?
- কী করলে আত্মনির্ভরতা আসে?
- অগ্নিবীণা-র রচয়িতা কে?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’-কোন লেখকের রচনার অংশ?
- 'আমার পথ' রচনায় কাজী নজরুল ইসলাম কীসেরচেয়ে অহংকারকে ভালো বলেছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?
- 'কিন্তু আমরা তাঁর কথা বুঝলাম না।'— 'আমারপথ' প্রবন্ধে কার সম্পর্কে আলোচ্য কথাটি বলাহয়েছে?
- রফিকুল ইসলাম একজন সাদা মনের মানুষ। শিক্ষকতা পেশায় থেকে গড়েছেন আলোকিত মানুষ। নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান "কালান্তর"। জনকল্যাণের পাশাপাশি তিনি এলাকার মাতব্বরদের ভণ্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও নতজানুতার বিরুদ্ধে তিনি সদা সোচ্চার। ফলে অনেকেরই শত্রুতে পরিণত হন তিনি। তবে তিনি দমে যান না, তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ পথ।'উদ্দীপকের রফিকুল ইসলামের বিশ্বাসের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।উদ্দীপকের শম্ভুর সাথে আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকেরস্বাতন্ত্র্য কীসে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে ভুলের মাধ্যমে সত্যকেপাওয়ার উপায় হলো-
- 'ধন-ধান্য পুষ্পে ভরা' গানটির রচয়িতা কে?
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'"উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাবের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- "স্পষ্ট কথা বলার একটি অবিনয় নিশ্চয় থাকে" -তোমার পঠিত কোন রচন থেকে নেওয়া হয়েছে ?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।'মতিন সাহেবের আমিত্ব তাঁকে উক্ত পদের সম্মানে ভূষিত করে'- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে আমিত্বের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের রজতজয়ন্তী আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়া মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকে আলমের নেতৃত্বের স্বরূপ 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
- রাজবন্দীর জবানবন্দি কী ধরনের রচনা?