শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।
বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।
আর-নয়।
তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।
আর করি না করি না ভয়।
জয় বাংলা বাংলার জয়।
"উদ্দীপকে বাঙালির জাগরণী চেতনা আর 'বিদ্রোহী' কবিতার জাগরণী চেতনা মূলত একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।
আর-নয়।
তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।
আর করি না করি না ভয়।
জয় বাংলা বাংলার জয়।
"উদ্দীপকে বাঙালির জাগরণী চেতনা আর 'বিদ্রোহী' কবিতার জাগরণী চেতনা মূলত একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কাকে খ্যাপা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
- ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
- 'আমি __ হাতে চাঁদ ভালে সূর্য'– শূন্যস্থানে কী হবে?
- কামাল পাশা কোন বিষয়ে অন্যায় দেখলে মেনে নিতে পারতেন না। জন্ম থেকে তার মধ্যে ছিল বিদ্রোহী সত্তা। দেশের সুলতান অন্য দেশের কাছে অবজ্ঞার পাত্র। কামাল পাশা অন্তরে অনুভব করেন এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত তিনি এই পরিবর্তন করতে সক্ষম হন এবং তুরস্ককে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করেন।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম - এর 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রকাশিত হয়-
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি? আলোচনা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় 'অর্ফিয়াস' এর পিতা কে ছিলেন?
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিষ্ক্রিয় করবেন?
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু দিবস কোনটি?
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে বিদ্রোহী কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয় ?
- 'পাশরি' শব্দের অর্থ কী?
- কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের কততম কবিতা?
- কবি নিজেকে একই সঙ্গে সৃষ্টি ও ধ্বংসের সাথে তুলনা করেছেন কেন?
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- ‘বিদ্রোহী’ কবিতা কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- 'অন্যায়ের কাছে নত নয় শিরভয়ে কাঁদে কাপুরুষ, লড়ে যার বীর।'উদ্দীপকের বীরের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের মিল রয়েছে?
- ‘দোলন-চাঁপা’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?