'কলিমদ্দি দফাদার’ গল্পে 'নাও’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
A. নাই অর্থে
B. নৌকা অর্থে
C. পালকি
D. পার হওয়া
E. লও অর্থে
সঠিক উত্তরঃ
B.
নৌকা অর্থে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের স্রষ্টার উপভোগ্য কী?
- 'বাংলাদেশ অনস্ত অক্ষয় মূর্তি জাগে' -পংক্তিটির কবির নাম কি?
- "জাদুঘর আমাদের আনন্দ দেয়"- কীভাবে?
- 'নবদম্পতির প্রেমালাপ’ কোন্ রচনায় উদ্ধৃত হয়েছে?
- সম্প্রতি চিতলমারী গ্রামের অনেক উন্নতি হয়েছে- পাকা রাস্তা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ডিশ অ্যান্টেনা মাঝে মাঝে দুই-চারটি পাকা বাড়িও চোখে পড়ে। কিন্তু কৃষিনির্ভর মানুষের ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি। আগে যারা খেয়ে পরে বছরে দুবিঘা জমি কিনত, এখন বছর শেষে শূন্য। ওই গ্রামের করিম মাস্টার বললেন, 'উন্নতি হবে কেমন করে, এখন তো সবাই সাহেব। আহার, বিশ্রাম, আড্ডা, ভ্রমণ আর হিংসা-দলাদলি নিয়ে মানুষ এখন ব্যস্ত।'উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রাম 'চাষার দুক্ষু' রচনায় বর্ণিত কোন শহরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? তুলনার যৌক্তিকতা তুলে ধরো।
- "হাতের কাছে যারে পাও(তারে) ঢাকা-দিল্লি খুঁজতে যাওকোন অনুসারে।এমনি বুদ্ধিহীন হলি মনরে তুই এ সংসারেঘরের মধ্যে এ ঘরখানাঘরে কে বিরাজ করে।"উদ্দীপকের সঙ্গে 'সাম্যবাদী' কবিতার ভাবনার তুলনা কর।
- হৈমন্তীর ননদের নাম কী ছিল?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- কবি আল মাহমুদ কোথায় চোখ রাখতে পারেন না?
- "পদ্মা মেঘনা যমুনা" উপন্যাসটির রচয়িতা কে ?
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় 'লোকান্তরে' শব্দটি কী অর্থপ্রকাশ করছে?
- বঙ্গবন্ধু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
- বিজ্ঞানকে কীসের কাজে ব্যবহার করতে হবে?
- শূন্যস্থানে কোন শব্দগুলো বসবে ? কমলাকান্ত ___ নহে _____ ৷
- “পলাশ ঢাকা কোকিল ডাকা আমার এ দেশ ভাইরে;ধানের মাঠে ঢেউ খেলানো এমন কোথাও নাইরে।” উদ্দীপকের যে দিকটি ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান??ছে' কবিতায় বিধৃত হয়েছে তা হলো—
- নিচের কোন জাদুঘরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত?
- সিকানদার আবু জাফরের মূল পেশা কী ছিল?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।"চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্দীপকে তার সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- কাজী মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধ সংকলন কোনটি?
- কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?