আমি, তুমি ও সে - আমরা ---- এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
A. সাধারণ দ্বন্দ্ব
B. অলুক দ্বন্দ্ব
C. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব
D. একশেষ দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তরঃ
D.
একশেষ দ্বন্দ্ব
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বিপদে পড়লে ঘাবরে না গিয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত। 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন উক্তিটিতে এ বিষয়টি ফুটে ওঠে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম-
- বুড়ো রহমান ছলছল দৃষ্টিতে আহ্লাদির দিকে তাকায় কেন?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে পিসির হাতে কী দেখা যায়?
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'-এ উক্তিটি দ্বারা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির চারিত্রিক দৃঢ়তা ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।' উক্তিটি কার?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- “মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি”- কাদের জীবনীশক্তি?
- ‘'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ, কিন্তু মেয়া যদিসোয়ামির কাছে না যেতে চায় খুন হবার ভয়ে ?”উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে মাসি-পিসি চরিত্রের-
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।' ব্যাখ্যা করো।
- ‘সাহেব’ শব্দের বহুবচন-
- জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের গ্রামীণযুবক আবুল বউ পিটিয়ে আনন্দ উপভোগ করে‘মাসি-পিসি' গল্পের উক্ত চরিত্রের সাথে উদ্দীপকেরআবুলের সাদৃশ্য কোথায়?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'আয় না হারামজাদা, এগিয়ে আয় না? কাটারির কোপে গলা কাটি দু-একটার।'- উক্তিটি কার?
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উক্ত মূল উপজীব্যে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি কোনটি?
- আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য মাসি-পিসির প্রচেষ্টায় তাদেরচরিত্রের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো-