'বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ-সংস্কারকের কথা আছে তাঁর নাম-
A. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
B. রামমােহন রায়
C. অক্ষয়কুমার দত্ত
D. ভূদেব মুখােপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
D.
ভূদেব মুখােপাধ্যায়
Explanation:
ভূদেব মুখােপাধ্যায়
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি মধুসূদন দত্তের লেখা নয়?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।উদ্দীপকের 'গোহত্যা' এবং গল্পের 'অন্নপাপ' একই সূত্রে গাঁথা"-তোমার মতামত' আলোচনা করো।
- নূরলদীনের ডাকে কত সালে বাংলার মানুষ জেগে উঠেছিল?
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?
- 'সাইবেরিয়া' এশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
- 'সিরাউদ্দৌলা' নাটকে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কারা?
- 'বিলাসী গল্পে ফুটে উঠেছে তৎকালীন হিন্দু সমাজের-
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘ভুজ্যি উচ্ছুগা’ শব্দদ্বয় কোন গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'বিলাসী' গল্পটি কত বঙ্গাব্দে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'বিলাসী' গল্পের কথক কতটা পথ হেটে স্কুলে যেত?
- নিম্নের কে কবি নন?
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ডিগ্রি প্রদান করে তার নাম-
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।'উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়েকেমন প্রকৃতির নারী?
- মাঝে মাঝে গুরুশিষ্যের সাথে বিলাসী তর্ক করত কী নিয়ে?
- বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া চরিত্রে কোন লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?
- "কিন্তু তাহার হৃদয় জয় করিয়া দখল করার আনন্দটাও তুচ্ছ নয়"- কার প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?
- ন্যাড়ার মাদুলি-কবচ মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর সঙ্গে কোথায় গিয়েছিল?