বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?
A. কাজী নজরুল ইসলাম
B. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
C. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
D. মোহিতলাল মজুমদার
সঠিক উত্তরঃ
C.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রুপায়ন?
- " Captive Lady " রচনা করেন-
- শমন-ভবন কী?
- আরিফ ও সোহেলের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মাহমুদপুর গ্রামে। পার্শ্ববর্তী কাশিপুর গ্রামের মানুষের সাথে মাহমুদপুরবাসীদের দ্বন্দ্ব চিরকালের। কাশিপুরের এক মেয়ের সঙ্গে সোহেলের হৃদয় দেওয়া-নেওয়া। ধান কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে মারামারি লাগার উপক্রম। হলে আরিফ গ্রামের সকলকে ডেকে আনা, লাঠিসোঁটা জোগাড় করা, জীবনের তোয়াক্কা না করে গ্রামের ইজ্জত রক্ষায় যখন কাশিপুরবাসীদের প্রতিহত করার পরিকল্পনা করে তখন শুধুই প্রেমের টানে পরিবার, সমাজ ও এলাকার স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে সোহেল কাশিপুরবাসীদের কাছে মাহমুদপুর গ্রামের সকল প্রস্তুতি ও কৌশলের কথা ফাঁস করে দেয়।উদ্দীপকে বর্ণিত সোহেলের সঙ্গে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? কীভাবে?
- মেঘনাদের প্রশ্নবানে বিদ্ধ হয়ে বিভীষণ কিভাবে উত্তর দেয়?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- সাদ্দাম হোসেন ইরাকের লৌহমানব ছিলেন। ইরাককে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তিনি ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করেননি। যদিও যুদ্ধে হেরেছেন। তারপরও সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তাঁর যুদ্ধ নিয়ে মতভেদ থাকলেও তিনি পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মাতৃভূমি রক্ষার জন্য শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোস নয়।'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সাথে উদ্দীপকের কোন দিক্ সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- কোনটি মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
- নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- “বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা” প্রচলন করেন-
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষাকরার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় লতিফ। দেশকে স্বাধীনকরে তবেই ঘরে ফিরবে এই প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধ করে যায়লতিফ। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতারদ্বারপ্রান্তে ঠিক সে সময় উজিরপুরের পাকিস্তানি ক্যাম্পে,অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল লতিফরা। তথ্যটি রাজাকারনিজামুদ্দীন হানাদার বাহিনীকে জানিয়ে দিলে পাকিস্তানিবাহিনীর অতর্কিত হামলায় লতিফরা শহিদ হয় ।উদ্দীপকে ও বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতাংশেকোন বিষয়টি প্রবলভাবে প্রকাশিত?
- সনেটের কটি অংশ?
- বাংলা কাব্যে ''অমিত্রাক্ষর ছন্দ '' প্রবর্তন করেন কে ?
- কোনটি মধুসূদন দত্তের রচনা?
- পরশুরামের অস্ত্র কী?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশে 'লক্ষি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় সৌমিত্রি কে?
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্য রচয়িতা কে?
- ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যটিতে সর্গ সংখ্যা কয়টি?
- একসময় ঈশা খাঁর সঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।'উদ্দীপক ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবনা এক নয়।'- মন্তব্যটি বিচার করো।