'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
A.
নিপীড়ন
B.
অসুস্থতা
C.
অবজ্ঞা
D.
অবহেলা
সঠিক উত্তরঃ
A.
নিপীড়ন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়'- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’-এর রচয়িতা কে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখার উপায় কী বলে মনে করেন?
- যে কবিতা শুনতে জানে না সে মায়ের কোলে শুয়েকী শুনতে পারে না?
- কীসের মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা?
- জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কী?
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি।তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিলকারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন। প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক সংগ্রহশালা জাতির—
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের--কখনই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পড়েছি ফাঁসআপস করিনি কখনই আমি--এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? বর্ণনা কর।
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিশ্বম্ভর বাবুর পূর্বপুরুষের যে ইতিহাস তা মূলত 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সারাংশ।"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছ???' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় ইস্পাতেরতরবারি যাকে সশস্ত্র করবে, সে হলো—
- 'গর্ভবর্তী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি'- এর পরের চরণ কোনটি?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- “আমি কৰি ও কবিতার কথা বলছি।” কোন কবিতার পঙক্তি?
- সুখ-সমৃদ্ধিতে ঐশ্বর্যময় এবং প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এই সুন্দর দেশটি বগীর আক্রমণ থেকে শুরু করে বারবার শত্রুর লোলুপ দৃষ্টিতে পড়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে এ দেশের সহজ-সরল মানুষের জনজীবন, অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। কিন্তু কোনো শত্রুর কাছে পরাভব মানেনি এ দেশের গণমানুষ। তাই তো যুগে যুগে আমরা দেখি, নূরলদীন-তিতুমীর-হাজী শরিয়তউল্লাহ-সূর্য সেন-প্রীতিলতা-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিস্ময়কর শক্তি-সাহস এবং শৌর্যবীর্য। হাজার বছর ধরে এ দেশের মানুষের রয়েছে রক্তে রঞ্জিত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য।"উদ্দীপকের এ দেশের হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিক্রমা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার চৈতন্যগত দিকের সঙ্গে অভিন্ন।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- পরাক্রমশালী মোগলরা ভারতবর্ষের অধিকাংশ অঞ্চল অনায়াসে দখল করতে পারলেও বাংলায় এসে তারা চরম প্রতিরোধের মুখে পতিত হয়। বাংলার বারো-ভূঁইয়ারা ঈশা খাঁ এর 'নেতৃত্বে তারা মোগলদের আগ্রাসন থেকে বাংলাকে রক্ষা করে। ঈশা খাঁ ছিলেন সংগ্রামী ওঅদম্য দেশপ্রেমীর মূর্ত প্রতীক।উদ্দীপকটিতে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সুখ-সমৃদ্ধিতে ঐশ্বর্যময় এবং প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এই সুন্দর দেশটি বগীর আক্রমণ থেকে শুরু করে বারবার শত্রুর লোলুপ দৃষ্টিতে পড়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে এ দেশের সহজ-সরল মানুষের জনজীবন, অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। কিন্তু কোনো শত্রুর কাছে পরাভব মানেনি এ দেশের গণমানুষ। তাই তো যুগে যুগে আমরা দেখি, নূরলদীন-তিতুমীর-হাজী শরিয়তউল্লাহ-সূর্য সেন-প্রীতিলতা-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিস্ময়কর শক্তি-সাহস এবং শৌর্যবীর্য। হাজার বছর ধরে এ দেশের মানুষের রয়েছে রক্তে রঞ্জিত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য।উদ্দীপকের ব্যক্তিদের কীভাবে কাঙ্ক্ষিত মানবমুক্তির দূত বলা যায়? 'আমি কিংবদন্তির কথা' বলছি' কবিতার বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্য দেখাও।
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতা অনুসারে কীভাবে যুদ্ধ আসে?
- "আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলার আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি। চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলেতেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?উদ্দীপকের 'বাংলার আলপথ' এর সাথে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতারসাদৃশ্যপূর্ণ চেতনা-ঐতিহ্যপ্রিয়তাসংগ্রামশীলতাইতিহাসমনষ্কতানিচের কোনটি সঠিক?
- যে কবিতা শুনতে চানে না, সেত সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে' কেন?