খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
A.
রহিমা
B.
জমিলা
C.
আমেনা
D.
তানুবিবি
সঠিক উত্তরঃ
C.
আমেনা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কাদের পীর হিসেবে পরিচিত। এক পূর্ণিমা রাতে বাঁশঝাড়ে একজন মহিলাকে হত্যা করলে স্কুল শিক্ষক 'আরেফ আলি' তা দেখতে পায়। তখন কাদেরের চরিত্র সম্পর্কে 'আরেফ আলির' বুঝতে বাকি থাকে না যে সে ভন্ডপির। তখন 'আরেফ আলি' সমস্ত ঘটনা পুলিশকে বললেও পুলিশ তা বিশ্বাস করতে পারে না।উদ্দীপকের কাদেরের চরিত্রের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসের মাজারটি দেখতে কীসের মতো?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব— অন্ধবিশ্বাস ধর্মীয় গোঁড়ামিপির প্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- 'কদর্য এশীয়’ বইটির লেখক কে?
- 'কী মিঞা তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- 'লালসালু' উপন্যাসে উক্তিটি কার ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়ানো মজিদকে পাথরের মূর্তির মতো মনে হওয়ার কারণ-
- মতিন ও খাইরুনের পাঁচ বছরের সংসার। বিয়ের পর হতেই অনেক চেষ্টার পরেও তাদের সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরের এক গ্রামে হেকমত কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল মতিন দ্রুত স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যায়। হেকমত কবিরাজ অনেকক্ষণ ধরে খাইরুনকে নিরীক্ষণ করার পর বলেন- 'পেটে বেরি পরে বইলাইতো স্ত্রী লোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ, কারো চৌদ্দ।'উদ্দীপকের মতিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য বাবার বয়সি বজলু মিয়ার সাথে বিয়ে হয় আয়েশার। বিয়ের পরদাম্পত্য জীবনে খুব একটা সুখী নয় সে কারণ জোরে হাসা যাবে না, সাজগোজ করা যাবে না এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতেও যাওয়া বারণ। তাই স্বামীর বাড়িতে আয়েশার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখি মনে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আয়েশা এটাও বুঝতে পারে যে বজলু মিয়া গ্রামের মসজিদের ইমাম হলেও মিথ্যা কথা বলে গ্রামবাসীকে নানা রকম দোয়া, তাবিজ, ঔষধ দিয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করে। এক সময় আয়েশা এসব সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসীর কাছে সব ফাঁস করে দেয়। তখন বজলু মিয়া সকলের কাছে মাফ চেয়ে বলে একটা বাড়তি আয়ের আশায় তিনি এ কাজ করেছেন।"উদ্দীপকের বজলু মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েই ধর্মকে পুঁজি করে অর্থ উপার্জন করলেও মজিদের দৌরাত্ম্য অপেক্ষাকৃত বেশি।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- মজিদের প্রতি রহিমার অচঞ্চল আস্থা যার সঙ্গে তুল্য হয়েছে-
- খোদার এলেমে বুক ভরে না কেন?
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- বুঝিয়ে লেখো।
- ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে।'- উক্তিটি কার?
- মজিদকে প্রথম বার দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
- নিঃস্ব সালেহার একটিমাত্র পুত্র ছাড়া আপন বলতে কেউ নেই। আর আছে যৎসামান্য অর্থ। পুত্রের মৃত্যুতে সে দিশেহারা হয়ে তান্ত্রিকের কাছে ছুটে যায় সহায়-সম্বল নিয়ে।উদ্দীপকের ঘটনার সাথে উপন্যাসের কোন বাক্যটির সাদৃশ্যপূর্ণ??
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।উদ্দীপকের অপর্ণার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
- জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন-জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাভাঙা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার। জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি ও সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ-শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমন কি কখ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতি বছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।উদ্দীপকের সাঞ্চাভাঙা গ্রামের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- বাড়িতে দুইজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রহিম গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্ক স্ত্রীকে রহিম কারও সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে শীতের রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী খুব কষ্ট পায়। সাহস করে কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নিয়ে আসে।উদ্দীপক??র প্রথম স্ত্রীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিম্য চরিত্রের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।