'কী মিঞা তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- 'লালসালু' উপন্যাসে উক্তিটি কার ?
A. খালেক ব্যাপারীর
B. মোদাব্বেরের
C. মজিদের
D. পির সাহেবের
সঠিক উত্তরঃ
C.
মজিদের
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে ।" ’লালসালু' উপন্যাসে এই ‘পাথর’ দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে?
- 'ভেতরে ক্রোধের আগুন জ্বলছে বাইরে যত ঠান্ডা থাকুকনা কেন' – কার ভেতরে ক্রোধের আগুন জ্বলছে?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'-ব্যাখ্যা করো।
- জলবসন্ত রোগে আক্রান্ত ছোট ছেলের চিকিৎসার জন্যসুমনবাবু মনোহারী বৈদ্যের কাছ থেকে পানিপড়া ওনিমপাতা নিয়ে আসেন। কলেজ পড়ুয়া বড় ছেলে রাজীবছোট ভাইকে হাসপাতালে নিতে চাইলে পিতার একগুঁয়েমিরকাছে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।উদ্দীপকের রাজীবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে'— উক্তিটি কার?
- ‘সে যেন খাঁচার ধরা পড়েছে ।’ -কার ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে?
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য বাবার বয়সি বজলু মিয়ার সাথে বিয়ে হয় আয়েশার। বিয়ের পরদাম্পত্য জীবনে খুব একটা সুখী নয় সে কারণ জোরে হাসা যাবে না, সাজগোজ করা যাবে না এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতেও যাওয়া বারণ। তাই স্বামীর বাড়িতে আয়েশার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখি মনে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আয়েশা এটাও বুঝতে পারে যে বজলু মিয়া গ্রামের মসজিদের ইমাম হলেও মিথ্যা কথা বলে গ্রামবাসীকে নানা রকম দোয়া, তাবিজ, ঔষধ দিয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করে। এক সময় আয়েশা এসব সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসীর কাছে সব ফাঁস করে দেয়। তখন বজলু মিয়া সকলের কাছে মাফ চেয়ে বলে একটা বাড়তি আয়ের আশায় তিনি এ কাজ করেছেন।"উদ্দীপকের বজলু মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েই ধর্মকে পুঁজি করে অর্থ উপার্জন করলেও মজিদের দৌরাত্ম্য অপেক্ষাকৃত বেশি।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধুর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধর।
- "গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখ।
- খালেক ব্যাপারি দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- মহিম আলির সংসারের সকল দায়িত্ব তার স্ত্রী হনুফার। যৌথ পরিবারের গ্রামীণ সংসারের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ধান শুকানো, মাড়ানো, গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের তদারকি সবই শক্ত হাতে সামলান। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ, তাদের মান রক্ষা সবই হনুফার গুরুদায়িত্ব। এতে তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি বা ক্লান্তি নেই। কিন্তু 'হনুফা'কে মাঝে মাঝে অসহায়ত্ব ও একাকিত্ব গ্রাস করে। মহিম আলি হনুফার একাকিত্ব অনুভব করে। কারণ তারা নিঃসন্তান।"উদ্দীপকে বর্ণিত হনুফা সন্তান বাসনায় অতৃপ্ত কিন্তু 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমার মাতৃহৃদয় কিছুটা পরিপূর্ণ।" কীভাবে ব্যাখ্যা করো।
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।উদ্দীপকে বর্ণিত সালাম মন্ডলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের বর্ণনা দাও।
- 'কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা'- কার মুখ শক্ত হয়ে, ওঠে কেন?
- 'কলমা জানস্ না ব্যাটা?” উক্তিটি কার?
- মজিদ জমিলাকে মাজারে বেঁধে রেখেছিল- মনে খোদার ভীতি জাগানোর জন্যশাস্তি দেওয়ার জন্যতার বিদ্রোহী চেতনাকে বিনাশ করার জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?
- তোমার দাড়ি কই মিঞা?__কাকে বলা হয়েছে?
- নিচের কোনটি সঠিক?