"শিরে দিয়ে বাঁকা তাজ
ঢেকে রাখে টাক।"- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘কী জাদু বাংলা গানে!’- বিখ্যাত গানের এই চরণাংশ কোন রচনায় উদ্ধৃত হয়েছে ?
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে কিনা আলোচনা কর।
- 'সে জন্মেছে নীল বাংলার ঘাস আর ধানের ভিতর।'—কে জন্মেছে?
- ‘পাছায় জোটে না ত্যানা' উদ্ধৃতিটি কোন রচনার?
- " তাহার সদুপদেশটা একেবারে বাজে খরচ হইল।” ‘হৈমন্তী’ গল্পে সদুপদেশটা-
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম-
- রবিন মফস্বলের একটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। সে তার প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সংকল্প' কবিতার "দেখব এবার জগতটাকে” চরণটির প্রতি অনুরক্ত। তাই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়। প্রিয় কবির জগৎটাকে দেখার ইচ্ছায় সে প্রায়ই দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো দেখতে যায়। এতে জ্ঞানপিপাসু মনে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির পাশাপাশি ঐতিহাসিক তত্ত্ব সম্পর্কেও জানতে পারে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু ও 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ভাবগত পার্থক্য কতটুকু? বিশ্লেষণ করো।
- কে মহাবেদনার ডাক শুনতেন?
- কোনটি আল মাহমুদের কাব্য নয়?
- ‘বসন্তকুমারী’ নাটক কার রচনা?
- রোকেয়ার মতে, নারী শিক্ষার লক্ষ্য কোনটি?
- হাওয়া যখন পানের বনে চঞ্চলতা জাগায় তখন কে চঞ্চল হয়ে উঠে?
- হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়েকতবার প্রাণ, মোর উঠিয়াছে গেয়েপ্রকান্ড উল্লাস ভরে, ইচ্ছা করিয়াছেসবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছেসমুদ্র মেখলা পরা তব কটিদেশ;প্রভাত রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষব্যপ্ত হয়ে দিকে দিকে অরণ্যে ভূধরেকম্পমান পল্লবের হিল্লোলের পরেকরি নৃত্য সারাবেলা;উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে 'ঐকতান' কবিতার যে দিকের মিল দেখা যায় তা বিশ্লেষণ করো।
- 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' গল্পটি কার লেখা?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- "রক্তে আমার অনাদি অস্থি" কবিতাটি কার উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত?
- "যখন বিচারে পরাস্ত হইবে তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।"- ব্যাখ্যা কর।
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।উদ্দীপকের খালেদ ও অর্জুনের বর্ণনা পাঠ্যপুস্তকের 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন কোন প্রসঙ্গের কথা মনে করিয়ে দেয়? কেন?
- ‘জমীদার দর্পণ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ‘চাষার দুক্ষু’ গল্পে চাষীর উদরে অন্ন নেই কেন?