ওই যে দাঁড়ায়ে নতশির
মুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীর
বেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভার
বহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-
তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,
নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,
মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,
শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণ
রেখে দেয় বাঁচাইয়া।
উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে কিনা আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা?
- এন্ডি কাপড় তৈরি বন্ধ হওয়ার কারণ কী?
- ভারত সরকার ”পদ্মভূষণ” সম্মাননা প্রদান করেন কোন প্রাবন্ধিক কে?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতায় 'কূপমন্ডূক’ শব্দের ব্যঞ্জনাগত অর্থ-
- "এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে- সবচেয়ে সুন্দর করুণ"- পঙক্তির মর্মার্থ বর্ণনা করো।
- 'ঐকতান' কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- 'কোন রোগীর চিকিৎসা করিতে হইলে প্রথমে রোগের অবস্থা জানা আবশ্যক।'- কোন গদ্য রচনার উক্তি ?
- সওগাদ' শব্দের অর্থ-
- 'মােমেনের জবানবন্দী’ কার লেখা?
- বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধিসহজ হয়, কারণ—
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।উদ্দীপকের ডাক্তার মনিরুলের চেতনার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার শ্রমজীবী মানুষের জীবনচিত্র বর্ণনা কর।
- তোমায় হদয় বিশ্ব দেউল সকলের দেবতার” কাবিতাংশটি' কোন কবিতা থেফে নেওয়া হয়েছে?
- নিচের কোন চরিত্রটি অন্যদের থেকে ভিন্ন?
- নয়নপুর গ্রামের ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা পূর্বে একবেলামাঠে কাজ করত, একবেলা রিকশা চালাত। এখন তারাএক বেলা অটোকিশা চালায়, আরেক বেলা চায়েরদোকানে আড্ডা দেয়। তাদের বাহ্যিক আচরণ দেখেউন্নত মনে হলেও গ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাপূর্বের মতোই শোচনীয় রয়ে গেছে। গ্রাম্য মাতব্বরজব্বার মিয়া বিষয়টি সবাইকে বুঝালেন।উদ্দীপকের অটোরিকশা চালনার সাথে 'চাষার দুক্ষু'প্রবন্ধের কীসের তুলনা করা যায়?
- সভ্যতার ব???স্তারের সাথে যা বিলুপ্ত হচ্ছে-
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
- আহারপ্রস্তুত না হওয়ায় কমলাকান্ত হুঁকা হাতে কি ভাবছিলেন?
- ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে কোন অঞ্চলকে ধান ও পাটের জন্য বিখ্যাত বলা হয়েছে?