পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।
পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম'-ব্যাখ্যা করো।
- 'কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে।' বিলাসী গল্পে এ উক্তি কার?
- কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে কল্পনা 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কতটুকু সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক-
- পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি আলোচনা করো।
- এই কান্নাকাটিতে অধর অত্যন্ত বিরক্ত হইলেন। ছোঁড়াটা মরা ছুঁইয়া আসিয়াছে, কি জানি এখানকার কিছু ছুঁইয়া ফেলিল নাকি। ধম দিয়া বলিলেন, মা মরেচে ত যা নিচে নেবে দাঁড়া। ... কি জাতের ছেলেরে তুই? কাঙালী সভয়ে প্রাঙ্গণে নামিয়া দাঁড়াইয়া কহিল, আমরা দুলে। উদ্দীপকের কাঙালীর সাথে 'বিলাসী গল্পের যে চরিত্রের মিল রয়েছে-
- মৃত্যুঞ্জয়ের জন্য বিলাসীর ভালোবাসার প্রমাণ হলো-সাপ ধরার বায়না ফিরিয়ে দেয়ামৃত্যুঞ্জয়ের শোকে আত্মহত্যা করামৃত্যুঞ্জয়কে সেবাযত্নের মাধ্যমে সুস্থ করানিচের কোনটি সঠিক?
- 'তিলাষ' শব্দটি দিয়ে 'বিলাসী' গল্পে বোঝানো হয়েছে-তিল পরিমাণ সময়ের অর্ধমুহূর্তমাত্রপরক্ষণেইনিচের কোনটি সঠিক?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকে যে সামাজিক প্রথা বর্ণিত হয়েছে তা 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- মহামারি কোভিডের সময় বাবুলের বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাবুলের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়। এ সময় সহপাঠী রানুর বাবা বাবুলকে গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। বাবুল যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু তাদের পারিবারিক শত্রুর কারসাজিতে নিজের আড়ালে কিছু একটা ঘটতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই সে টের পায়- তার পাড়া- প্রতিবেশী তাকে এড়িয়ে চলছে। সবাই বাবুল এবং রানুকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিশ্বাসী।উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজচিত্রকে 'বিলাসী' গল্পের সমাজচিত্রের দর্পণ বলা যায় কি? যুক্তিসহ মত প্রকাশ করো।
- বাবুরা আমাকে একটি বার ছেড়ে দাও'- বিলাসী কেন এ কথা বলেছিল?
- মন্দির গল্পের জন্য শরৎচন্দ্র কোন পুরস্কার পেয়েছেন?
- মহামারি কোভিডের সময় বাবুলের বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাবুলের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়। এ সময় সহপাঠী রানুর বাবা বাবুলকে গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। বাবুল যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু তাদের পারিবারিক শত্রুর কারসাজিতে নিজের আড়ালে কিছু একটা ঘটতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই সে টের পায়- তার পাড়া- প্রতিবেশী তাকে এড়িয়ে চলছে। সবাই বাবুল এবং রানুকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিশ্বাসী।উদ্দীপকের পারিবারিক শত্রু 'বিলাসী' গল্পের খুড়াকে কীভাবে প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- 'আমাদের তো খাবারের ভাবনা নাই আমরা কেন মিছামিছি লোক ঠকাতে যাই'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- 'ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী' স্বর্ণপদক লাভ করেন?
- তিন্নি তথাকথিত নিম্নবর্ণের মেয়ে। সে কর্মনিপুণ,বুদ্ধিমতী এবং সেবাব্রতী। সে কারণে বিশু তাকেবিয়ে করেছে। কিন্তু নিম্নবর্ণের হওয়ায় বিশুর পরিবারতিন্নিকে মেনে নেয়নি। উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে—