মসনদে একটি মাত্র দিনের জন্য মাথা উঁচু করে বসার ইচ্ছা ছিল কার?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উদ্দীপকের বিপথগামী সেনা সদস্যদের সঙ্গে‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়াযায়?
- 'আসামির সে অধিকার থাকে নাকি?'- কে, কাকে, কখন বলেছিল? বর্ণনা করো।
- তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সির???জ।'-উক্তি?
- 'উমিচাঁদ যুগের সেরা বিশ্বাস ঘাতক'- উক্তিটি কার?
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- উমিচাঁদ ঘসেটি বেগমকে কার স্বাক্ষরিত চিঠিদেয়?
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।উদ্দীপকের সমর সমাদ্দার কীভাবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই'— ক্লাইভের একথার অর্থ কী?
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- বাংলার আপদে আজ লক্ষ কোটি বীর সেনাঘরে ও বাইরে হাঁকে রণধ্বনি, একটি শপথেআজ হয়ে যায় শৌর্য ও বীরগাথার মহানসৈনিক, যেন সূর্য সেন, যেন স্পার্টাকাস স্বয়ং সবাই।উদ্দীপকের বীরগাথা মহান সৈনিক, সূর্য সেনের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের অধিকতর সাদৃশ্য লক্ষ্যযোগ্য এবং কীভাবে?
- 'ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওরা এদেশের নয়, দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।'ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এই বাংলার বুকে।"দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়' পঙ্ক্তিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মর্মার্থই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তৃতীয় অঙ্কে দৃশ্য সংখ্যা কত?
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণের প্রাক্কালে ইংরেজবাহিনী সাদা নিশান উড়ায় কেন?
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে এলেন কেন?
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালের দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত। জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলআহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিকতাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সেবজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।বজলু রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
- কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?
- 'এ সময়ে এভাবে এখানে আসা খুবই বিপজ্জনক'। উক্তিটির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ইতিহাস বলে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তার বয়স মাত্র বাইশ বছর। একদিকে অল্প বয়সে শাসনকার্যের গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে সিংহাসনে বসার পর থেকেই চলে নানামুখী ষড়যন্ত্র। এ রকম প্রতিকল পরিস্থিতিতেও যুবক শাসক হুমায়ুন ঠিকভাবে হাল ধরে অত্যন্ত সাহসিকতায় শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুনের ভাইয়েরা এবং আত্মীয়-স্বজনেরা যদিও সহযোগিতার পরিবর্তে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তথাপি দুর্দান্ত প্রতাপে শক্ত হাতে সবকিছুর মোকাবেলা করেন তিনি।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কীভাবে? আলোচনা করো।